আব্দুল্লাহ আল মারুফ চট্টগ্রাম।। দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’-র নিবন্ধনে বড় ব্যবধানে শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম। জেলাটিতে রেকর্ডসংখ্যক ১ লাখ ৮১ হাজার ১৪০ জন প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছে। ৫৯ হাজার ৫৮০ জন নিবন্ধন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। অর্থাৎ, ঢাকার তুলনায় চট্টগ্রামে ১ লাখ ২১ হাজার ৫৬০ জন বেশি নিবন্ধন করেছে, যা প্রায় তিন গুণেরও বেশি।
শীর্ষ পাঁচ জেলার নিবন্ধন চিত্রঃ
প্রথম: চট্টগ্রাম — ১,৮১,১৪০ জন
,দ্বিতীয়: ঢাকা — ৫৯,৫৮০ জন
,তৃতীয়: কুমিল্লা — ৫১,৮৪৮ জন
,চতুর্থ: বরিশাল — ৫১,৫৪০ জন
,পঞ্চম: পটুয়াখালী — ৪৯,৫৬৫ জন
বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা ঢাকা এবং কুমিল্লার সম্মিলিত নিবন্ধন সংখ্যা ১ লাখ ১১,৪২৮ জন—যার চেয়েও চট্টগ্রামে এককভাবে ৬৯,৭১২ জন বেশি প্রতিযোগী নিবন্ধন করেছে।
সাফল্যের নেপথ্যে মাঠপর্যায়ের সমন্বিত পরিকল্পনাঃ এই বিশাল সাফল্যের পেছনে স্থানীয়দের খেলাধুলার প্রতি অনুরাগ এবং প্রশাসন ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সুপরিকল্পিত প্রচার-প্রচারণা ও নিরলস প্রচেষ্টা বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার নেতৃত্বে ইউনিয়ন, উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ধারাবাহিক সমন্বয় এবং কার্যকর মনিটরিং করা হয়। জেলা ক্রীড়া অফিসার আবদুল বারীর তত্ত্বাবধানে জুম মিটিং, নিয়মিত সভা এবং তৃণমূল পর্যায়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম গতিশীল রাখা হয়।এছাড়া, স্থানীয় সংবাদপত্র, টেলিভিশন চ্যানেল, তথ্য অফিস এবং ফেসবুকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচারণা চালিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরীফ উদ্দিনসহ স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের সম্মিলিত সহযোগিতাও এই অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
প্রতিযোগিতার পরিধি ও ইভেন্টসমূহঃ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম এই প্রতিযোগিতা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, নতুন কুঁড়ি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা ইতিহাস গড়ব।গত আসরে ৮টি ইভেন্ট থাকলেও এবারের আয়োজনে আরও দুটি নতুন ইভেন্ট যুক্ত করে মোট ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ ফুটবল ও ক্রিকেট,
ভলিবল ও কাবাডি,ব্যাডমিন্টন ও দাবা,সাঁতার ও অ্যাথলেটিকস,মার্শাল আর্ট ও টেবিল টেনিস।
নির্ধারিত রূপরেখা অনুযায়ী, প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে দল গঠনের পর উপজেলা এবং পরবর্তী ধাপে জেলা পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বালক ও বালিকা উভয় বিভাগের প্রতিযোগীরা এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।


মন্তব্য