১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
আন্তর্জাতিক:
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে পৃথিবীর চমক ইরান
     
             

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বান্ধবীকে নিয়ে ঘুরতে এসে নিহত ১

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মোঃ সিজার হোসেন জেলা ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি (রাজশাহী) >>> বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের পেছনে বান্ধবীর সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন শিমুল। এসময় প্রক্টরিয়াল বডি টহল দিচ্ছিল। প্রক্টরের গাড়ি দেখে বাইক নিয়ে পালাতে শুরু করেন শিমুল। তখন সড়কে থাকা রডের সঙ্গে লেগে পড়ে যান তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরুতর হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) পাঠানো হয়। পথিমধ্যে মারা যান তিনি।নিহত শিক্ষার্থী মো. শিমুল রাজশাহী কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র। তিনি নগরীর মেহেড় চন্ডী মধ্যবুধপাড়া এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে।নিহত শিক্ষার্থীর বাবা জামাল মিয়া বলেন, আমার ছেলে তার বান্ধবীকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে যায়। তখন প্রক্টরিয়াল বডির গাড়ি দেখে তারা সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু একদল শিক্ষার্থী তাদের পথরোধ করে এবং ছেলেকে ব্যাট দিয়ে আঘাত করে। ফলে সে গুরুতর আহত হয়। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান ফিরোজ বলেন, শিমুলকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ছেলেরা প্রথমে সড়ক দুর্ঘটনার কথা বলেন। পরে তাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে পিটিয়ে মারা হয় বলে স্বীকার করেন। তবে তাকে হাসপাতালে আনার পর পরই ব্রডডেট পাওয়া যায়। আইন অনুযায়ী মরদেহ মরচুয়ারিতে পাঠানো হয়েছে।মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মালেক বলেন, হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। নিহত শিক্ষার্থীর সঙ্গে থাকা মেয়েটি আমাদের পুলিশ হেফাজতে আছে। সত্য ঘটনা জানতে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। মরদেহ উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ছাড়া নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page