১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
আন্তর্জাতিক:
লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক
     
             

বৈষম্যের স্বীকার বাদপড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিউজ ডেক্স>>> বৈষম্যহীনতার স্বীকার বর্তমানে ৪১৫৯ টি বাদপড়া বেসরকারি বিদ্যালয়।সাবেক ফ্যাসিস্ট সরকার গত ৯ জানুয়ারী ২০১৩ সনে সারাদেশের সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জাতীয়করণ ঘোষণা করেন।ঘোষণার পূর্বেই মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরিসংখ্যান ভুলের কারণে ৩০ হাজার ৩৫২ টি বেসরকারি বিদ্যালয় থাকা সত্ত্বেও ২৬ হাজার ১৯৩ টি বেসরকারি বিদ্যালয় জাতীয়করণ ঘোষণা হয়।ফলে সারাদেশে ৪১৫৯ টি বিদ্যালয় বাদ পড়ে যায়।এমতাবস্থায় এই বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিভাগ,জেলা,উপজেলা ও কেন্দ্রীয়ভাবে মানববন্ধন,সংবাদ সম্মেলন এবং স্মারকলিপির মাধ্যমে দাবীগুলো তুলে ধরা হয়।কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বার বার শিক্ষকরা রাস্তায় নামলেও ফিরিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্নভাবে আশ্বাস দিয়ে।তাই শিক্ষকদের দাবী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কবৃন্দ এবং উপদেষ্টারা যেখানে সোনার বাংলায় কোন বৈষম্য রাখতে চায়না সেইদিক থেকে দেখতে গেলে একমাত্র বাদপড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বৈষম্যহীনতার স্বীকার। যারা বেতন,ভাতা,অনুদান,ছাত্র- ছাত্রীদের বৃত্তি,টিফিন সবকিছু থেকেই বঞ্চিত।স্কুল পরিচালনাসহ স্কুলের যাবতীয় খরচ শিক্ষক- শিক্ষিকা নিজে বহন করাই শিক্ষকরা ভীষণ দূর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছে।নিজের সংসারের খরচ বাঁচিয়ে স্কুলের চক,ডাস্টার কেনার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।এতটা বছর ধরে বিনা বেতনে স্কুল পরিচালনা করার দরুন বর্তমানে কারো পক্ষে আর স্কুল চালানো সম্ভব হচ্ছেনা।জাতীয়করণের আশায় বুক বেঁধে অনেকেই অবসরে গিয়েছেন,অনেকেই গিয়েছেন পরপারে।তাই তাঁদের স্লোগান -‘ হয় জাতীয়করণ,না হয় মরন’ ‘কেউ খাবে কেউ খাবেনা,তা হবেনা তা হবেনা’ ‘এক দেশে দুই নীতি,মানা যাবেনা মানা যাবেনা’ ‘শিক্ষকদের কান্নায়,ভেসে যাবে বন্যায়’,’এক দফা এক দাবী,জাতীয়করণ জাতীয়করণ,’ ‘বেসরকারি প্রাইমারী করে দাও সরকারি,’বিদ্যালয় আছে বেতন নাই, এমন দেশ কোথাও নাই।’এমতাবস্থায় শিক্ষকদের ভাষ্য ৪১৫৯ টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বৈষম্যহীন ও সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করলে তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নাম ইতিহাসের পাতায় ও শিক্ষকদের নয়নের মণিতে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page