এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বকে সামনে রেখে বর্তমানে যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে বাংলাদেশ দলের ক্যাম্প চলছে। এই ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা ইংলিশ কোচ জেরার্ড জোনস সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি পৃথক স্ট্যাটাস দিয়ে দেশের ফুটবল অঙ্গনে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন। নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া প্রথম স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তাকে সময়মতো বেতন পরিশোধ করেনি। এ কারণে পরিবার নিয়ে তিনি সংকটে পড়েছেন এবং প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতা ও ভীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন বলে দাবি করেন।
পরবর্তী স্ট্যাটাসে জেরার্ড জানান, বাফুফে তার বেতন পরিশোধ করলেও তিনি ব্যাংকিং জটিলতায় পড়েছেন, যে বিষয়ে তাকে আগে থেকে অবগত করা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, গতকাল ঢাকায় এবং আজও তিনি এমন কিছু পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন যেখানে মানুষ তার গাড়ি ঘিরে ধরে টাকা দাবি করেছে এবং গাড়িতে ধাক্কা দিয়েছে। এমন অনিশ্চয়তা ও প্রতিকূল পরিবেশে বাংলাদেশে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার বেতন না পাওয়ার বিষয়টি যেভাবে জনসমক্ষে ছড়িয়েছে, তা নিয়েও তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
কোচ জেরার্ডের এমন মন্তব্যের পর বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে বাফুফে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আজ দুপুরে জানান, চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে কোচের বেতন পরিশোধ করার নিয়ম রয়েছে এবং সে অনুযায়ী তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে। বাফুফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো অভিযোগ থাকলে তা সরাসরি ফেডারেশনকে জানানোই ছিল পেশাদার আচরণ। সরাসরি অভিযোগ না জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন মন্তব্য করায় বিষয়টি অহেতুক ঘোলাটে হয়েছে বলে মনে করছে বাফুফে। উল্লেখ্য, উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সধারী কোচ জেরার্ডকে গত জুন মাসে নিয়োগ দিয়েছিল বাফুফে।
এরপর আরেক স্ট্যাটাসে আপডেট দিয়ে তিনি জানান, বাফুফের কাছ থেকে বেতন পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু ব্যাংকিং-সংক্রান্ত জটিলতার মধ্যে পড়েছেন।
যে সমস্যার ব্যাপারে তাকে আগে জানানো হয়নি।
কেননা কোন অভিযোগ থাকলে সেটি বাফুফেকে সরাসরি জানালে বিষয়টি এতটা ঘোলাটে হতো না।
সূত্র: Daily Amar Desh


মন্তব্য