১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
আন্তর্জাতিক:
ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে পৃথিবীর চমক ইরান
     
             

তানোরে হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে আলু চাষীদের আন্দোলন

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি>>> রাজশাহী তানোর উপজেলায় আলু সংরক্ষণ হিমাগারের ভাড়া বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে চাষীরা একাধিকবার প্রতিবাদ জানালেও হিমাগার মালিকরা তাদের দাবিকে উপেক্ষা করে চলেছেন। সর্বশেষ, ৪ টাকা কেজি ভাড়া ৮ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে চাষীদের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। আজ ( ১২/০১/২০২৫ তারিখ রবিবার)বিকাল ৩ টার সময় তানোরের গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠে চাষীদের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেয়র ও জেলা বিএনপির নেতা মিজানুর রহমান মিজান। এছাড়া মোহনপুর, পবা ও তানোর উপজেলার কয়েক শতাধিক আলু চাষী সভায় অংশগ্রহণ করেন।প্রধান অতিথি মিজানুর রহমান মিজান তার বক্তব্যে বলেন, “চাষীরা বছরের পর বছর কষ্ট করে ফসল ফলায়। কিন্তু হিমাগার মালিকরা তাদের কষ্টার্জিত আয়কে পুঁজি করে একচেটিয়া মুনাফা অর্জন করছে। হিমাগারের ভাড়া ৮ টাকা করা সম্পূর্ণ অন্যায়। এ বিষয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।চাষীরা দাবি করেন, ৪ টাকা থেকে ৮ টাকা ভাড়া বৃদ্ধির ফলে তাদের লাভ তো দূরে থাক, ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। তাদের বক্তব্য, পূর্বের প্রতিবাদ সভায় দাবি জানানো হলেও হিমাগার মালিকরা কর্ণপাত করেনি।সভা শেষে উত্তেজিত চাষীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে স্থানীয় রহমান হিমাগার-২ এর দিকে অগ্রসর হয়। সেখানে গিয়ে তারা বুকিং ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। বিক্ষোভকারীদের দেখে হিমাগার কর্তৃপক্ষ হিমাগার ছেড়ে পালিয়ে যায়। চাষীদের এই উত্তেজনা ও আন্দোলন এলাকায় উত্তপ্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে।

চাষীদের দাবি
১. হিমাগারের ভাড়া দ্রুত কমিয়ে পূর্বের পর্যায়ে আনা।
২. চাষীদের সাথে আলোচনা করে সঠিক সমাধানে পৌঁছানো।
৩. হিমাগার পরিচালনায় সিন্ডিকেট বন্ধ করা।
চাষীদের অভিযোগ, তাদের কষ্টের ফসলের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে একদিকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়, অন্যদিকে হিমাগারের ভাড়া বৃদ্ধির বোঝা তাদের জন্য অসহনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি। চাষীদের দাবি, সরকার দ্রুত হিমাগারের ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের ভূমিকা কী হয়, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন ক্ষুব্ধ চাষীরা।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page