৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা কমাতে চসিক মেয়রের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে নগরজীবনে কিছুটা স্বস্তি রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে সুমন মন্ডল নামে এক যুবকের মৃত্যু  রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে সুমন মন্ডল নামে এক যুবকের মৃত্যু নগরীতে জলবদ্ধতার বিষয়ে জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেয়র শাহাদাত চাটখিলে বিধবা নারী ১১ বছর ধরে স্বামীর বসতভিটা থেকে দেবর কর্তৃক উচ্ছেদ সোনালি ধানে বিষাদের ছায়া দিশেহারা সাতকানিয়ার চাষীরা ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নারীরা আপনাকে ঘিরে ধরেছিল হাসনাতকে প্রধানমন্ত্রী রাউজানে পরিবেশ অধিদপ্তরের হানা ৫ চালককে জরিমানা নিষিদ্ধ হর্ন জব্দ ইউটিউবে ঝড় তুলেছে জুলির কণ্ঠে লোকসংগীত-রঙ্গিলা মাঝিরে লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫
আন্তর্জাতিক:
লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক
     
             

তানোরে হিমাগারে রাখা আলুতে গাছ  ভারতীয় আলু মজুদের অভিযোগ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী) প্রতিনিধি>>> রাজশাহীর তানোরের  আলোচিত মেসার্স তামান্না পটেটো কোল্ড স্টোরেজে (হিমাগার) অল্প সময়ের মধ্য কৃষকের রাখা আলুতে গাছ গজানো ও ভারতীয় আলু স্টোরজাত করার অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ  কোল্ডস্টোর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলা ও গ্যাস সংকটের কারণে এতো অল্প সময়ে আলুতে গাছ গজিয়েছে।তারা আরো বলেন, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারতীয় আলু আমদানি করছে।কিন্ত্ত স্টোর কর্তৃপক্ষ ভুয়া কৃষকের নাম দিয়ে ভারতীয় আমদানি করা প্রায় ১০ হাজার বস্তা আলু স্টোরজাত করেছেন।এতে সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণের মহতী উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।এদিকে ভারতীয় এসব আলু স্টোরে ঢোকাতে-বাহির করার সময় গ্যাস সংকটের কারণে কৃষকের আলুতে গাছ গজিয়ে যাচ্ছে।এসব গাছ গজানো আলুর ওজন কমে যাচ্ছে ও বাজারে দাম কম।এতে বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়েছে আলু রাখা কৃষক ও ব্যবসায়ীগণ।তারা বলেন,কোল্ডস্টোরে অভিযান দিলে ভারতীয় আমদানি করা আলু রাখার সত্যতা মিলবে।এদিকে ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন ১লা মে বুধবার দুপুরে মেসার্স তামান্না পটেটো কোল্ড স্টোরেজে (হিমাগার) গিয়ে দেখা যায়, আলু রাখা সেটে বাছাই প্রক্রিয়া চলছে।এ সময় একাধিক ব্যক্তি বলেন,আলুতে ট্যাক বা গাছ গজানো দেখতে হলে সকালের দিকে আসতে হতো।আলু সেটে ঢালার পর প্রায় আলুতেই এক ইঞ্চি থেকে দেড় ইঞ্চি করে গাছ গজিয়েছে।প্রায় আলুর গাছ পরিস্কার করা হয়েছে।এজন্য এখন কম দেখা যাচ্ছে।গাছ গজানো আলু বিক্রি করা কষ্টকর এবং বাজার দামও কম হবে।কি কারনে গাছ গজিয়েছে জানতে চাইলে তারা জানান ভারত থেকে আমদানি করা আলু হিমাগারে রাখছে আবার সেই আলু বাহির করছে।যার কারনে ঠিকমত গ্যাস দিতে পারেনি।মুলত একারনেই আলুতে গাছ গজিয়েছে।এটার জন্য দায় হিমাগার কর্তৃপক্ষ।তালন্দ ইউনিয়ন ইউপির মোহর গ্রামের ও তানোর পৌর এলাকার গুবিরপাড়া মহল্লার আলু রাখা জনৈক কৃষক  বলেন হিমাগার কর্তৃপক্ষ আলু নিয়ে সিন্ডিকেট করে থাকেন। আলু বিক্রি করার জন্য সকালের দিকে  সেটে ফেলার পর প্রতিটি আলুতে গাছ গজিয়ে পড়েছে।দেখে চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে পড়েছে।আলু ভালো থাকার জন্য হিমাগারে রাখা হয় অথচ ভালো থাকার পরিবর্তে গাছ গজাচ্ছে।তারা ইদুল ফিতরের পর  ভারত থেকে আমদানি করা আলু হিমাগারে রাখার কারনে গ্যাস সংকটে আলুতে গাছ গজিয়েছে।এবিষয়ে জানতে চাইলে মেসার্স তামান্না কোল্ড স্টোরেজের (হিমাগার) ম্যানেজার  আব্দুল মান্নান সাংবাদিকদের সঙ্গে  কোনো কথা বা তথ্য জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে হেড অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন।এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান,আমরা তামান্না হিমাগারকে একাধিক বার সতর্ক করেছি।কিন্তু আমাদের তো অভিযান দেয়ার ক্ষমতা নেই।বিষয়টি নিয়ে ইউএনএ স্যারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,বিষয়টি নিয়ে কৃষি বিভাগের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় অসমর্থিত একাধিক সুত্রও জানান,হিমাগার ভাড়া লুজ প্রতি বস্তা ৩২৫ টাকা,কন্ট্রাক বুকিং প্রতি বস্তা ২৫০-৬০ টাকা, পেট বুকিং ২৩৫-৪০ টাকা,লেবার খরচ প্লাটল বাবদ প্রতি বস্তা ২৫ টাকা,সেট খরচ প্রতি বস্তায়  ৩০ টাকা,লোড প্রতি বস্তায়  ৬ টাকা,ওজন প্রতি বস্তায় ৫ টাকা দিতে হয়। তারা আরো বলেন,কৃষককে ঋণ দিলে হিমাগার প্রায় ২৮ শতাংশ সুদ নেয়, বাজার দর থেকে বাকিতে কৃষকের কাছ বস্তা প্রতি ৩০ টাকা বাড়তি নেয়।এছাড়াও যে সব কৃষকরা একজনের নামে বুকিং কেটে ১০ জন মিলে হিমাগারে ৫ হাজার বস্তা আলু রাখলে মজুদদার হিসেবে হিমাগার কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের কাছে তাদের তালিকা দিয়েছে।অথচ যারা ফড়িয়া ব্যবসায়ী হাজার হাজার বস্তা আলু মজুদ করে রেখেছেন তাদের তালিকা দেয়নি হিমাগার কর্তৃপক্ষ।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page