স্পোর্টস ডেস্ক।। আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি একাধিক দেশের সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে নিজ দেশকে সমর্থন দেওয়ার সুযোগ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা থাকছে। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প প্রশাসন ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী (ইমিগ্র্যান্ট) ভিসা প্রক্রিয়া অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। এমন সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব দেশ থেকে আসা অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের মানব কল্যাণ ব্যবস্থার অপব্যবহার করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতির কারণে পাঁচবার বিশ্বকাপ জেতা দেশ ব্রাজিলসহ কলম্বিয়া, মরক্কো ও ইরানের মতো বিশ্বকাপে খেলা কয়েকটি দেশের সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞা আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
বিশ্বকাপের জন্য সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রে ভিন্ন ভিসায় আসতে পারবেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা। গতকাল ডেইলি মিররকে পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ভিসা নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র অভিবাসী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পর্যটক, খেলোয়াড়, তাদের পরিবার এবং গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা কার্যকর থাকবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এই কর্মকর্তার কথায় ফুটবল সমর্থকরা আশার আলো দেখতেই পারেন। বিশেষ করে, বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা এবং নতুন ভিসা নিষেধাজ্ঞায় থাকা আলজেরিয়া, ব্রাজিল, কলম্বিয়া, মিসর, ঘানা, হাইতি, ইরান, মরক্কো, সেনেগাল, তিউনিসিয়া ও উরুগুয়েসহ মোট ১৪টি দেশের সমর্থকদের শঙ্কার মেঘ কেটেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র শঙ্কা নেই জানালেও মানবাধিকার সংস্থাগুলো নতুন ভিসা নীতির সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তা ড্যানিয়েল নোরোনা বলেন, ভিসা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ফলে কনস্যুলেটগুলোতে সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়াই ধীর হয়ে যেতে পারে।
তিনি বলেন, “এতে বিশ্বকাপ সমর্থকদের জন্য একটি বৈরী পরিবেশ তৈরি হতে পারে। আপনি যদি দর্শকদের স্বাগত জানাতে না চান, তাহলে বিশ্বকাপ আয়োজন করা উচিত নয়।”











মন্তব্য