সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী চিনাউড়া ও আশাউড়া এলাকায় সাধারন জনগনকে সচেতন করতে চোরাচালান এবং পুশইন প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক পৃথক দুটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সুনামগঞ্জ ২৮ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন(বিজিবি)”র উদ্যোগে পৃথক দুটি সীমান্ত এলাকার জনসাধারনের উপস্থিতিতে এই জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন(বিজিবি)”র সুনামগঞ্জ অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মোঃ সেলিম রানা,ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টারের উদ্যোগে এই জনসচেতনতামূলক সভায় সীমান্ত এলাকায় বিপুল সংখ্যক জনসাধারন উপস্থিত হন। সভায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ,চোরাচালান,মাদক ও মানব পাচার প্রতিরোধ,অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়। এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় কোন প্রকার সন্দেহজনক কর্মকান্ড,অবৈধ পণ্য পরিবহন অথবা অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিলক্ষিত হলে দ্রুুতনিকটস্থ বিজিবি বিওপিকে অবহিত করতে স্থানীয় জনগনের প্রতি আহবান জানানো হয়। এছাড়া সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি”র পাশাপাশি সীমান্তবর্তী স্থানীয় জনগনের সহযোগিতার গুরুত্ব সভায় তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী জনগনের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি,পারস্পারিক আস্থা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ব্যাপারে ২৮ বর্ডারগার্ড ব্যাটালিয়ন(বিজিবি)”র সুনামগঞ্জ অঞ্চলের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল একে এম জাকারিয়া কাদির সংবাদকর্মীদের জানান,সুনামগঞ্জের দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় ১৯টি বিওপির মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষা,আন্তঃসীমান্ত অপরাধ এবং পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তের জনগনের মধ্যে জনসচেতনার পাশাপাশি তাদের সহযোগিতাই নিয়েই সুনামগঞ্জের প্রতিটি সীমান্ত এলাকা নিরাপদ রাখার জন্য বিজিবি”র জোয়ানরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। ফলেই সুনামগঞ্জের প্রতিটি সীমান্ত এলাকা নিরাপদ রাখা সম্ভব হচ্ছে। তিনি আরো বলেন,সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে আমরা বিজিবি”র সদস্যরা আমাদের উধর্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক সঠিকভাবে দাযিত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে তিনি জানান।





মন্তব্য