১৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
একটি ভালো সমাজ গড়া আমাদের সবার দায়িত্ব — শামা ওবায়েদ সিএনজি ও ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চলাচলে সিএমপির ৫ নির্দেশনা চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামযোগ্য কনটেইনারের জট, আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা অনেক প্রতিষ্ঠানের নাগরিক সেবায় নতুন উদ্যোগ: চসিকের ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপ চালু ইজারা নিয়েও তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ ইজারাদার রেজুয়ানের মির্জাগঞ্জে ফাঁকা ঘরে তাবিজ দেওয়ার নামে ধর্ষণের অভিযোগ: ওয়ার্ড জামায়াত সভাপতি গ্রেফতার। বিএনপি সরকার গঠন করে চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যকে যেনো জাতীয়করন করেছে : মমিনুল হক সরকার সাতকানিয়ায় বানভাসিদের পাশে এমপি শাহজাহান চৌধুরী লোহাগাড়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এসআইয়ের মৃত্যু সাতকানিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত: মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

চট্টগ্রাম বন্দরে নিলামযোগ্য কনটেইনারের জট, আর্থিক ক্ষতির শঙ্কা অনেক প্রতিষ্ঠানের

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম >>> চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে নিলামের অপেক্ষায় পড়ে থাকা হাজার হাজার কনটেইনারের জট এখনো কাটেনি। এসব কনটেইনারে কয়েক হাজার কোটি টাকা মূল্যের পণ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রায় ১৫ বছর ধরে এসব পণ্য নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রশাসনিক ও প্রক্রিয়াগত জটিলতায় অনেক পণ্য কনটেইনারের ভেতরেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে বিদেশী শিপিং লাইন, আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। পাশাপাশি বন্দরের মূল্যবান জায়গা দীর্ঘদিন দখল হয়ে থাকায় আমদানি-রফতানি কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্র জানায়, প্রতি মাসে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে গড়ে ২০ থেকে ৩০টি কনটেইনারের পণ্য বিক্রি করা হয়। বিডারদের উপস্থিতিতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে এসব নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে কমলা, মাল্টা, খেজুর, আদা-সহ বিভিন্ন পচনশীল পণ্য থাকে। এছাড়া কিছু কনটেইনারের পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমেও বিক্রি করা হয়।বর্তমানে বন্দরের বিভিন্ন শেডে নিলামের অপেক্ষায় রয়েছে ২ হাজার ৭৪৮টি ২০ ফুট এবং ৬ হাজার ৬১৮টি ৪০ ফুট কনটেইনার। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় এসব কনটেইনারের পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য কমোডর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, বন্দরের মোট ধারণক্ষমতার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ জায়গা সব সময় নিলামযোগ্য কনটেইনার দখল করে থাকে। এগুলো দ্রুত সরানো গেলে নতুন আমদানি-রফতানি পণ্য সংরক্ষণের জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জায়গা খালি হবে এবং বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।কাস্টমস সূত্রে আরও জানা যায়, ২ হাজার ৬৯৭টি কনটেইনার নিলামের তালিকাভুক্ত হলেও এর মধ্যে ১ হাজার ৬১৯টির নিলামের অনুমোদন পাওয়া গেছে। গত বছর ৪৯৩টি এবং চলতি বছরে আরও ৪৯৫টি কনটেইনার নিলাম শেষে বিডারদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অর্থাৎ দেড় বছরে মোট ৯৮৮টি কনটেইনার খালাস করা সম্ভব হয়েছে। তবে একই সময়ে নতুন করে আরও কয়েকশ কনটেইনার নিলামের তালিকায় যুক্ত হওয়ায় জট পুরোপুরি কমেনি।চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন বলেন, প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করেই নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। ফলে কিছুটা সময় লাগলেও নিলাম ও কনটেইনার খালাসের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ গতিতে কাজ চলছে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিলাম প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করা গেলে বন্দরের স্থান সংকট অনেকটাই কমবে, শিপিং লাইনের কনটেইনার দ্রুত ফিরে যাবে এবং দেশের আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে ইতিবাচক গতি আসবে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page