সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি >>> সুনামগঞ্জের ছাতকে তরুণী গণধর্ষণ মামলায় তিনজনে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন জেলার ছাতক উপজেলার ভাতাগাঁও ইউনিয়নের হাসামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালিকের পুত্র (১) মতিউর রহামান মতিন ও একই গ্রামের খোয়াজ আলীর পুত্র (২) দিলদার হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা (৩) এবং ছাতক উপজেলার সিংচাপইর ইউনিয়নের কামারগাও গ্রামের হাবিবুল ইসলামের পুত্র বিল্লাল হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানার রায় ঘোষণা করেন।নারী শিশু দমন নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আজ সোমবার বিকেলে এরায় ঘোষণা করেন।মামলা সুত্রে জানাযায়, ২০২১ সালের ১১ আগস্ট ওই তরুণী বাবার বাড়ি থেকে পাশের গ্রামের নানা বাড়ি যাওয়ার পথে হাসামপুর পয়েন্ট এলাকার নির্জন স্থানে একা পেয়ে দন্ডপ্রাপ্ত আসামী মতিউর রহমান মতিন ও দিলদার হোসেন তরুণীকে হাওদা বিলে নিয়ে যায়। বিলেরপাড় থেকে নৌকা করে ছাতক উপজেলার সিংচাপইর ইউনিয়নের হাবিপুর গ্রামের মতিউর রহমানের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে মতিউর রহমানের চাচাতো বোন জামাই আব্দুল হামিদের বাংলোঘরে আটক করে মতিউর রহমান ও দিলদার হোসেন জোরপূর্বক ধর্ষণ পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তরুনীকে জোরপূর্বক নৌকায় তুলে একই ইউনিয়েনের কামারগাও গ্রামের দন্ডপ্রাপ্ত বিল্লাল হোসেনর বাড়িতে নিয়ে যায়। বিল্লাল হোসেন তরুনীকে তার রান্নাঘরে আটকে রেখে জোরর্পূবক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে এলাকায় ঘটনাটি ব্যপকভাবে জানাজানি হলে তরুনীর স্বজনরা তাকে ঘটনাস্থ থেকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসেন।এঘটনায় ১২ আগস্ট ২০২১ সালে নির্যাতিতা তরুনীর ভাই বাদী হলে ছাতক থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার ২ আসামি রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির থাকলেও বিল্লাল হোসেন পলতাক রয়েছেন। একজন আসামির বিরোদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে খালাস প্রদান করেন।


মন্তব্য