আব্দুল্লাহ আল মারুফ। দেশের অর্থনীতিকে মজবুত ও টেকসই করতে হলে কৃষি ও মৎস্য খাতকে সবার আগে শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় পার্টির সেক্রেটারি ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, কৃষকরাই এদেশের মূল চালিকাশক্তি। অথচ তারা প্রায়শই শ্রমের সঠিক মূল্য পান না। তাই কৃষকদের বাঁচাতে হলে চাষাবাদে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করা এখন সময়ের দাবি।শুক্রবার ১৫ মে বিকেলে সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কৃষিজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল কৃষক ও মৎস্যজীবী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, “কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। দেশের খাদ্যশৃঙ্খল সচল রাখতে হলে কৃষকদের প্রতি আমাদের আরও আন্তরিক হতে হবে। ফসলি জমি রক্ষা করা, চাষাবাদে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো এবং যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফলন দ্বিগুণ করা সম্ভব।” কৃষকদের ঘরে স্বচ্ছলতা ও মুখে হাসি ফোটাতে সরকার, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। কৃষকের ঘরে স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার ও সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাতকানিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি ডা. মোঃ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও স্থানীয় নেতা মোহাম্মদ ইসহাক, মাস্টার এনামুল হক, তারেক হোসাইন এবং দিদারুল ইসলাম।সম্মেলনে তৃণমূল পর্যায়ের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন খানে আলম, মোহাম্মদ রফিক, মঞ্জুরুল আলম, শহিদুল ইসলাম বাবর, কামাল হোসেন ও দিদারুল ইসলাম চৌধুরী। পুরো অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সঞ্চালনা করেন মিজানুল রহমান সিকদার।সম্মেলন শেষে স্থানীয় কৃষিজীবী ও মৎস্যজীবীদের টেকসই উন্নয়নে বেশ কিছু প্রস্তাবনা পেশ করা হয়।


মন্তব্য