এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম >>> চট্টগ্রামে লায়নিজমের বিকাশে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং গত ৬৮ বছর ধরে অনন্য অবদান রেখে চলেছে। একটি ক্লাব থেকে শুরু হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে শতাধিক ক্লাবে লায়নিজমের বিস্তার ঘটেছে। এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যত নেতৃত্ব ধরে রাখবে। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং–এর ৬৮তম চার্টার বার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা গভর্নর লায়ন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ অপু এ অভিমত ব্যক্ত করেন। ৫ মে(মঙ্গলবার) রাতে চট্টগ্রাম নগরীর সিনিয়র্স ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন কোহিনূর কামাল, ১ম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন মো. কামরুজ্জামান লিটন এবং ২য় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন মো. আবু বক্কর সিদ্দিকী।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন জেলা গভর্নর ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক, দৈনিক আজাদী সম্পাদক লায়ন এম এ মালেক, প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন কবির উদ্দিন ভূঞা, একুশে পদকপ্রাপ্ত লায়ন রফিক আহমেদ এবং সিএলএফ চেয়ারম্যান লায়ন নাছির উদ্দিন চৌধুরী।স্বাগত বক্তব্য দেন ৬৮তম চার্টার নাইট চেয়ারম্যান লায়ন এম সোহেল খাঁন এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন রেবেকা নাসরিন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে লায়ন কোহিনূর কামাল বলেন, এই ক্লাবের ঐতিহ্য অসাধারণ, যা এগিয়ে নেওয়াই আমাদের দায়িত্ব। লায়ন মো. কামরুজ্জামান লিটন বলেন, প্রাক্তনদের স্বপ্নকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব বর্তমান নেতৃত্বের। লায়ন মো. আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, লায়নিজমে ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই, এটি সম্মান ও সেবার জায়গা।দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতা। সমাজের কম সৌভাগ্যবান মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের দায়িত্ব।অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীতাকুণ্ড আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য ও প্রাক্তন গভর্নর লায়ন আসলাম চৌধুরীসহ প্রাক্তন গভর্নর নাজমুল হক চৌধুরী, ডা. শ্রীপ্রকাশ বিশ্বাস, এম মনজুর আলম এবং লায়ন কামরুন মালেক উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা মানবতার জয়, সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাসমুক্ত বিশ্ব এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। তারা বলেন, সাগর ও পাহাড়বেষ্টিত চট্টগ্রাম প্রকৃতির এক অপরূপ লীলাভূমি, যেখানে ১৯৫৮ সালের ২ এপ্রিল বাংলাদেশে লায়ন্স কার্যক্রমের সূচনা করেন মরহুম লায়ন এম আর সিদ্দিকী।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লায়ন তপন কান্তি দত্ত ও লায়ন আয়েশা হক শিমু।


মন্তব্য