চট্টগ্রাম সংবাদদাতা >>> ঢাকা পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের রেলযাত্রাকে আরামদায়ক করতে শুরু হয়েছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি। তবে বিক্রির প্রথম দিনে যাত্রীদের মাঝে তেমন একটা তোড়জোড় দেখা যায়নি। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, গতকাল ১৬টি আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য বরাদ্দকৃত ৮ হাজার টিকিটের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই অবিক্রিত রয়ে গেছে।টিকিট বিক্রির বিস্তারিত সময়সূচি বরাবরের মতো এবারও ঈদযাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। গতকাল ৩ মার্চ থেকে ১৩ মার্চের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়। আজ ৪ মার্চ পাওয়া যাচ্ছে ১৪ মার্চের টিকিট।
৫ মার্চ: পাওয়া যাবে ১৫ মার্চের টিকিট।
৬ মার্চ: পাওয়া যাবে ১৬ মার্চের টিকিট।
৭ মার্চ: পাওয়া যাবে ১৭ মার্চের টিকিট।
৮ মার্চ: পাওয়া যাবে ১৮ মার্চের টিকিট।
৯ মার্চ: পাওয়া যাবে ১৯ মার্চের টিকিট।
এছাড়া চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রির বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, শুরুর দিকের তারিখগুলোতে যাত্রীদের চাপ সাধারণত কম থাকে। তবে ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের টিকিটের জন্য ব্যাপক চাহিদা থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত এই তিনদিনই হবে ঈদযাত্রার মূল সময়।একজন যাত্রী একটি এনআইডি ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন।সার্ভার ব্যবস্থাপনা: অনলাইনে চাপ কমাতে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের টিকিট ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিক্রি করা হচ্ছে। পূর্বাঞ্চলের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে দুপুর ২টা থেকে।আগামী ১৩ মার্চ থেকে ফিরতি পথের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে (২৩ মার্চের জন্য)।রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানান, আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত টানা ৭ দিন ঈদের অগ্রিম টিকিট বিতরণ কার্যক্রম চলবে। উল্লেখ্য, ১৯ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু হওয়ায় আগামী ২০ বা ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


মন্তব্য