কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি >>> কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পাঠানহাট মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার সুপার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।মাদ্রাসা সূত্র জানায়, স্থানীয় খন্দকার আরিফ নামে বহিষ্কৃত এক কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুপারের বিরুদ্ধে মানহানিকর নানা অভিযোগ করছেন। তবে সুপারের দাবি, এটি একেবারেই ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত বিভ্রান্তিকর প্রচারণা।প্রায় ১৭ বছর আগে অফিস সহকারী পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন আরিফ। কিন্তু দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে তৎকালীন সুপার আ খ ম মোখতার আলী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে বহিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তিনি আদালতে মামলা করলে এর রায় মাদ্রাসার পক্ষে আসে। যদিও আরিফ পরে আপিল করলে সেটি দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকে।বর্তমান সুপার বলেন, সাবেক সুপারের অবসরের পর মামলার দায়ভার আমার ওপর পড়ে। আরিফ আমাকে বারবার মামলা আপোষ করে চাকরিতে ফেরানোর অনুরোধ জানায়। আমি বলেছি, ম্যানেজিং কমিটি রাজি থাকলে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু তার দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে কমিটি রাজি হয়নি।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ম্যানেজিং কমিটি বিলুপ্ত হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন। তার মধ্যস্থতায় সুপার সদয় হয়ে হাইকোর্টে গিয়ে মামলা খারিজে সহযোগিতা করেন। এমনকি আরিফ নিজেই সুপারের যাতায়াত খরচ বহন করেন।তবুও অপপ্রচার চালাচ্ছেন অভিযোগ করে সুপার বলেন, খন্দকার আরিফ আমার নামে মামলা খারিজের জন্য ১ লাখ টাকা এবং চাকরি বহাল রাখতে ৬ লাখ টাকা দাবির যে অভিযোগ করেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।সুপার আরও জানান, বর্তমানে আরিফ স্থানীয় একটি কলেজে কর্মরত। মাদ্রাসায় ফেরার জন্য তাকে সেই পদ থেকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। কারণ এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী একই সঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা যায় না। কিন্তু আরিফ কলেজ ছাড়তে রাজি নন।এখন নীতি বহির্ভূত নিয়োগ না হওয়ায় সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে,অভিযোগ সুপারের। এ ঘটনায় সুপার রাজারহাট থানায় একটি জিডি করেছেন। খুব শিগগিরই তিনি আরিফের নামে মানহানির মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।


মন্তব্য