১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন বানেশ্বরে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ ভাই আহত ২ সাতকানিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবহেলা তদন্তে ইউএনও। হত্যা মামলার আসামিকে ইউপি চেয়ারে না বসাতে ইউএনওকে স্মারকলিপি টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, এলাকাজুড়ে শোকাহত। পটুয়াখালীতে সেফটি ট্যাংকিতে নেমে দুই শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। সালথায় প্রতিবেশীর নির্যাতন ও অপমান সইতে না পেরে বিষপানে চার সন্তানের জনকের  মৃত্যু চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের মৃত্যুদণ্ড, বাকলিয়ার শিশু ধর্ষন মামলার রায়ও আজ আরজেএফ’র উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন স্লুইস গেট অকেজো হওয়ায় বাঁশখালীতে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত।
আন্তর্জাতিক:
হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান
     
             

হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানে বনবিভাগের সহায়তায় উঠছে দালান-কোঠা, বিপর্যস্ত পরিবেশ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিজস্ব প্রতিবেদক >>> বনের রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করতেছেন হিমছড়ি বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারিরাগণ। অভিযোগ পাওয়া গেছে এই কাজের সঙ্গে জড়িত ফরেস্টার থেকে নিরাপত্তা রক্ষীরাও। আর এতে করে হিমছড়ি ও পেঁচার দ্বীপ এলাকাটি পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে যাচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, বন টহল ফাঁড়ির ফরেস্টার মো. কামরুজ্জামান শোভন ও মো. তানভীর আলম, এফজি নাজমুল হাছান ও বাগান মালি মো. সোহেল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে হিমছড়ি উদ্যানের গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত।সামান্য টাকায় বিক্রি করে দিচ্ছে এই অমূল্য সম্পদ। সেইসঙ্গে গাছ কেটে জমি ফাঁকা করে অর্থের বিনিময়ে সেই জমিতে অবৈধভাবে মানুষের বসতি গড়ে তোলার অনুমতি দিচ্ছে। বনের জমির ভেতর পাকা দালানের অনুমতি না থাকলেও বনবিভাগের সহযোগিতায় নির্মাণ করা হচ্ছে ঘর-বাড়ি ও পাকা দালান।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জঙ্গল গোয়ালিয়া পালং বিএস ২ নং খতিয়ানের বিএস ১৯ নং দাগের শ্রেণী পাহাড় রির্জাভ ফরেস্টের জমিতে দক্ষিণ পেঁচারদ্বীপ গ্ৰামের হেডম্যান হিসেবে কর্মরত সাগর আলি বিল্ডিং তৈরি করেছেন। সেই বিল্ডিং-এ তিনি বাসা ভাড়া দিয়েছেন। অন্যদিকে জঙ্গল ধোয়া পালং মৌজায় বিএস ২ নং খতিয়ানের বিএস, ২১ নং দাগে শ্রেনী পাহাড়ে মোঃ হাসেমের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল বিল্ডিং নির্মাণ করেছেন। হারুন গং দুই তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করেছেন। হুমায়ন নামে একজনের মালিকানা ৫ তলা একটি রিসোর্ট রয়েছে। এই রিসোর্ট থেকে আয় হচ্ছে লাখো কোটি টাকা। মেরিন ড্রাইভ রোডের পূর্ব পাশে জঙ্গল খুনিয়া পালং মোজার বিএস ২ নং খতিয়ানের শ্রেণী পাহাড় রির্জাভ ফরেস্টের বিএস ৪৩ নং দাগে বিল্ডিং নির্মাণ করে ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া দেওয়া হয়েছে।হিমছড়ি জাতীয় উদ্যানের বন রক্ষকরাই বনের গাছ কেটে সাবাড় করে দিচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। এভাবে গাছ কাটা অব্যাহত থাকলে ওই এালাকর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ইকো সিস্টেম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় জানান, রাতের আঁধারে গাছগুলো কেটে নিয়ে যায়। এফজি নাজমুল হাছান ও বাগান মালি মো. সোহেল আহমেদ সরাসরি জড়িত এই কাজে। তারা কাজ করেন ফরেস্টার মো. কামরুজ্জামান শোভন ও মো. তানভীর আলমের নির্দেশে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরেস্টার মো. কামরুজ্জামান শোভন বলেন, আমি হিমছড়ি বিটের দায়িত্বে আছি। এগুলো আমার এলাকায় পড়েনি। এটা খুনিয়াপালং বিটে পড়েছে। আর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।খুনিয়াপালং বিটের ফরেস্টার মো. তানভীর আলমের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়গুলো নিয়ে জানতে চাইলে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও সাড়া দেননি তিনি।বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিম জানান, বন বিভাগের কর্মকর্তারা বন রক্ষা না করে ভক্ষণ করার কাজে ব্যস্ত। বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব কুকর্মের সাথে জড়িত। বন বিভাগের গাফেলতির কারণে কক্সবাজারের বনভূমি দিনদিন কমে যাচ্ছে। তারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সচেতন না। তারা কিভাবে বনের জমি এবং গাছ বিক্রি করে নগদ টাকা কামানো যায় এগুলো নিয়ে ব্যস্ত। এদের উপর রাষ্ট্র, এডমিনিস্ট্রেশন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page