নিজস্ব প্রতিবেদক
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মৃত নারীর ভিজিডি কার্ডের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টু তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে জানান, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওই কার্ডটি ভোগ করেন। লিখিত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ১ নম্বর চরমেখলি ওয়ার্ডের ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন ২০২৩-২৪ চক্রে ভিজিডি কার্ডের তালিকাভুক্ত হন। গত বছর জানুয়ারিতে প্রথম চাল বিতরণের দিন ফিরোজা স্বামীসহ চাল নিতে গেলে চেয়ারম্যান তার নামে কোনো কার্ড নেই বলে জানান। এর মধ্যে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফিরোজা। কিন্তু তিনি মারা গেলেও বন্ধ হয়নি তার কার্ডের চাল উত্তোলন।
অভিযুক্ত চেয়ারম্যান মিন্টু বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। চরমেখলি ওয়ার্ডের সদস্য ইলিয়াস ওই কার্ডের চাল ভোগ করেন। মিথ্যা অভিযোগ করার কারণে আমি মানহানির মামলা করব।
ইউপি সদস্য ইলিয়াস হোসেন জানান, চেয়ারম্যান কার্ড না দিয়ে চাল তুলে নিয়েছেন। আর এখন আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন।চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের একাধিক অভিযোগের বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিব্বির আহমেদ বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমি নিজে বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে কয়েকজনের অভিযোগের সমাধান করে দিয়েছি। নতুন করে একই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মৃত ব্যক্তির নামে চাল তুলে আত্মসাতের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


মন্তব্য