আব্দুল্লাহ আল মারুফ >>> কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায় দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী ও অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর আসিফ ও হৃদয় ‘জোড়া হত্যাকাণ্ড’ এর ১নং এজাহারনামীয় প্রধান পলাতক আসামি জিয়াউর রহমান জিয়া (৩৫)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫। সোমবার (০৮ জুন) রাত পৌনে ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামু থানাধীন দুর্গম উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত জিয়াউর রহমান জিয়া কক্সবাজার সদর পৌরসভার ০৭নং ওয়ার্ডের ইসলামপুর পাহাড়তলী এলাকার মৃত নজির আহমেদের ছেলে। র্যাব জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে জোড়া খুন ছাড়াও আগের আরও দুটি হত্যা ও মাদক মামলাসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে।র্যব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাবের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে যে, মামলার প্রধান আসামি রামুর একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করে আছে।প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাত ০২:৫০ ঘটিকায় রামু থানাধীন উখিয়ার ঘোনা (গনিয়া কাটা) এলাকায় র্যাব-১৫ এর একটি বিশেষ টিম সফল অভিযান পরিচালনা করে প্রধান আসামি জিয়াউর রহমানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জিয়া নিজেকে আড়াল করতে ওই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আত্মগোপন করেছিল বলে স্বীকার করেছে।কে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই নৃশংস ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় নিহত আসিফের পিতা মোঃ ইসমাইল বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১১, তারিখ: ০৫-০৬-২০২৬ খ্রিঃ)।র্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারেও র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


মন্তব্য