১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
ফ্যাসিবাদ সরকার ছিল সেই সরকারের কোন সঠিক পলিসি ছিল না— শামা ওবায়েদ সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ দেশের সব জেলা প্রশাসকের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৪ নির্দেশনা পুঠিয়ার রাজ- পরিবারের ব্যবহৃত আসবাবপত্র উদ্ধার উখিয়ার বালুখালী কুখ্যাত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নূরুল আমিন এর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের আতংকে স্থানীয় জনসাধারণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানে বেসরকারি খাতের সক্রিয় ভূমিকার অঙ্গীকার কাতার চেম্বারের উদ্বোধনের আগেই শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে পানি লিকেজ, নির্মাণ মান নিয়ে প্রশ্ন জ্বালানি সংকট কাটাতে দুই বছর সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী আঞ্চলিক লজিস্টিক হাব হিসেবে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব চট্টগ্রাম চেম্বারের জয়পুরহাটে যুবকের মরদেহ উদ্ধার।
আন্তর্জাতিক:
প্রেক্ষাপট: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরাজয় না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না ইরান ক্ষমতার পাঁচ বছর: তালেবান শাসিত আফগানিস্তানের অর্জিত সাফল্য ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য মিসর যাচ্ছেন হামাসপ্রধান খলিল আল-হাইয়া আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের পাঁচ বছর: অর্জন, ব্যর্থতা ও বর্তমান পরিস্থিতি ইরানি পাইলটদের আটক রাখার দাবি ভিত্তিহীন, জানাল কাতার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কারিগরি ত্রুটির কবলে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট: নিরাপদে ফিরল সিঙ্গাপুরে ৯০০ কর্মীকে জুম কলে ছাঁটাই করা সেই সিইও বিশাল গার্গ নিজেই বরখাস্ত আলিঙ্গন কূটনীতি নিয়ে রাহুল-বিজেপি বিতর্ক: ইন্দিরা গান্ধীকে টেনে আনলেন নিশিকান্ত ইরানি পাইলটদের আটকের দাবি প্রত্যাখ্যান কাতারের, অভিযোগকে ‘বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের আহ্বান
     
             

রাজশাহী-২ আসনে পরিবর্তন চায় নগরবাসী-অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিজস্ব প্রতিনিধি:

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ সদর আসনে আলোচনার শীর্ষে থাকা আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাঁচি প্রতীকের অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা বলেন, এই আসনটিতে এবার নগরবাসী পরিবর্তন চায়।এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণ মূলক করতে দলীয় মনোনয়নের বাহিরের অনেক প্রার্থী এবার নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে আ’লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন তিনি। তবে ১৪ দলের শরিক হিসেবে এ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন ফজলে হোসেন বাদশা।২৩ ডিসেম্বর (শনিবার) বেলা ১:৩০ মিনিটে মহানগর আ’লীগের কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন শফিকুর রহমান বাদশা।এসময় তিনি বলেন,দলীয় মনোনয়নের বাহিরেও প্রার্থীরা নিজ নিজ দল থেকে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন। মহানগর আ’লীগের সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এবারের নির্বাচনে তাঁর পক্ষে কাজ করছেন। এই শিক্ষক নেতা রাজশাহী মহানগর আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ এই নেতা আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হলে রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে হাতে-হাত মিলিয়ে উন্নয়নে অংশ নিবো। সদর আসনে উন্নয়ন দৃশ্যমান এবার হবে কর্মসংস্থান স্লোগানে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হলে নারী ও তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজ করবেন। রাজশাহী মহানগরবাসীর ভাগ্য পরিবর্তনে লিটনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবো।এবারের নির্বাচনে সদর আসনে নতুন মুখ দেখতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা নগরীর শিক্ষাখাতে অভুতপূর্ব পরিবর্তন করতে চাই। একারণে নগরবাসী ব্যপক সাড়া দিচ্ছেন। জনবিচ্ছিন্ন নেতাদের জনগণ আর চায় না। এবারের নির্বাচন অবাদ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। তবে প্রার্থীদের ভুমিকা অনেকটা নিরপেক্ষ নয়, তারা বাধা বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে। এখন পর্যন্ত এরকম কোনো খবর পাওয়া যায়নি, তবে ভবিষ্যতে এরকমই থাকলে একটি নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব।তিনি বলেন,‘আমি কাঁচি প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে আছি এবং দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকেই পাশে পেয়েছি। নগর আওয়ামী লীগের ভোট তার ঘরেই আসবে বলে তিনি দাবি করেন।ভোটে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী শফিকুর রহমান বাদশা বলেন, ‘গত ১৫ বছর ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থী রাজশাহী সদর আসনে ছিলেন ফজলে হোসেন বাদশা। তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কোনো সম্পর্ক ছিল না। উন্নয়নের ক্ষেত্রে মেয়রের সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাজের যে সমন্বয় থাকা দরকার, সেটা তিনি করেন না।‘তিনি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করেন না। এ কারণে আওয়ামী লীগ গুরুত্বপূর্ণ এ আসনটি আর বাইরের কাউকে ছাড় দিতে চায় না।এখানকার সাধারণ কর্মীরাও চায় না এটা।’

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page