নিজস্ব প্রতিবেদক>>> সাম্প্রতি বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে দেশ ছেড়েছেন।এরই ধারাবাহিকতায় সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জায়গায়, মহল্লায় সাম্প্রতিক দাঙ্গার ঘটনা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।তবে এই সাম্প্রতিক দাঙ্গার তেমন সত্যতা পাওয়া যায়নি।তারপরেও প্রশাসনসহ ছাত্রদের মিলে এলাকার সচেতন ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সাম্প্রতিক দাঙ্গার নিরসনে,যেন কোনভাবে সাম্প্রতিক দাঙ্গা মতো সহিংস ঘটনা না ঘটে।ইতিমধ্যে সাম্প্রতিক দাঙ্গা মতো সহিংস ঘটনা যেন না ঘটে এই লক্ষে সারা বাংলাদেশ বিভিন্ন জায়গায়,মহল্লায় ছাত্ররা মন্দিরসহ বিভিন্ন উপাসালয় পাহারা দিতে দেখা গেছে।সোহেল বড়ুয়া,পিতা: আনন্দ বড়ুয়া (গ্রাম:–ভালুকিয়া),২নং রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের বাসিন্দার গত ০৮আগস্ট ২৪ তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ৭:০০ টার দিকে সেনাবাহিনীর কাছে কল দিয়ে সাম্প্রতিক দাঙ্গা বলে অভিযোগ দায়ের করেন,যে তার বাড়িঘর ও মন্দির সহ বিভিন্ন ঘরবাড়ি পুড়ানো হচ্ছে।অভিযোগের পর সেনাবাহিনী বিভিন্নভাবে এলাকায় যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন, এবং সাম্প্রতিক দাঙ্গা মত সহিংস ঘটনার বিষয় জানাজানি হলে এলাকার সচেতন ব্যক্তিবর্গ গণকে প্রত্যক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ করতে গেলে এ অভিযোগের কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানান।এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান যে,গত এক বছর আগে সোহেল বড়ুয়ার সাথে তারই গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ সাবু সাথে আর্থিক লেনদেন থাকায় মোঃ সাবু সন্ধ্যা ৭টার দিকে যখন সোহেল বড়ুয়ার সাথে দেখা হয় তার পাওনা টাকা দিতে বললে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি প্রদান করে সেনাবাহিনীর কাছে মিথ্যাবাদী অভিযোগ দায়ের করেন।সারজমিনে অনুসন্ধান করে পাওয়া যায় যে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে,সোহেল বড়ুয়া (প্রকাশ ভুয়া মুন্সি ) একজন প্রতারক,তিনি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা আদালতে একজন মুন্সী বলে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষ থেকে অর্থ আদায় করেন।এ বিষয়ে গত এক বছর আগে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবীগণ বিভিন্ন অভিযোগের মাধ্যমে টাউট হিসেবে চিহ্নিত করে মামলা দায়ের করে ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,সোহেল বড়ুয়া (প্রকাশ ভুয়া মুন্সি ) এলাকার মানুষের সাথে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে আসছে।তারা আরো বলেন যে,সোহেল বড়ুয়া (প্রকাশ ভুয়া মুন্সি ) বিভিন্ন সময় হাইকোর্টে মুন্সী পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে মামলা নিয়ে প্রতারণা করেছে।বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার একটি অফিস আছে বলে জানা গেছে।এসব তথ্যের উপর ভিত্তি করে তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আহ্বান জানাচ্ছি।


মন্তব্য