নিউজ ডেক্স >>> সিলেট পর্বে নিজেদের তিন ম্যাচ শেষ করে চট্টগ্রাম চলে গিয়েছিলো ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। কিন্তু সেখানে শেষ পর্যন্ত খেলা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম সংশয়। দলটি এখন ঢাকায় ফেরার কথা ভাবছে। কারণ বিপিএলের সূচি জটিলতার কারণে বিসিবি চট্টগ্রাম ভেন্যুটি পুরোপুরি বাতিলের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে।ভাবছেন, হঠাৎ কি হলো যে চট্টগ্রামের পুরো পর্বই বাতিল হতে যাচ্ছে? বলার অপেক্ষা রাখেনা ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েই গতকাল ৩০ ডিসেম্বর খেলা বন্ধ ছিল। আর ্ ৩১ জানুয়ারী ইংরেজী বছরের শেষ দিনটি ছিল সূচির ধারাবাহিকতা রাখতে একদিনের বিরতি।বিসিবি থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে দলগুলোর মতে আজও খেলা হবেনা। তার মানে ২ দিনের জন্য খেলা পিছিয়ে গেছে। এদিকে সিলেট পর্ব শেষ হবার কথা ছিল ২ জানুয়ারী। বেগম জিয়ার মৃত্যু এবং একদিন নির্ধারিত বিরতিসহ খেলা বন্ধ থাকলো ২ দিন।সিলেট পর্ব এখন ৪ জানুয়ারী শেষ হবে। ওদিকে চট্টগ্রাম পর্ব শুরুর কথা ছিল ৫ জানুয়ারী। সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্বের আগে ২ দিনের যাত্রা বিরতি দিলে কিছুতেই ৫ জানুয়ারী খেলা শুরু সম্ভব না। সেক্ষেত্রে খেলা শুরু করতে হবে ৭ জানুয়ারী। তাতে করে চট্টগ্রামে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ২ দিন বেশী খেলা চালাতে হয়।বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে আবার রাজধানী ঢাকায় আসার আগে ২ দিনের বিরতি। সবমিলিয়ে ২৩ জানুয়ারী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফাইনাল আয়োজন সম্ভব নয়। তাই বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ভেবে চিন্তে সিলেট পর্বে আরও কয়েকদিন বাড়িয়ে একবারে ঢাকায় খেলা নিয়ে আসতে চাচ্ছে। তাতে করে ২৩ জানুয়ারী ফাইনালের তারিখ ঠিক রাখা সম্ভব হবে।ভাবছেন ২৩ জানুয়ারী কি এমন বিশেষ দিন যে , সেদিন বিপিএল ফাইনাল আয়োজন করতেই হবে ?না, ২৩ জানুয়ারী বিশেষ কোন দিন না। কিন্তু ভেতরের খবর ২৫ জানুয়ারী বাংলাদেশ দল টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারত যাবে। ট্যুর প্রোগ্রাম আগে থেকেই ঠিক করা। ভারতে গিয়ে কোথায় উঠবে, কদিন কোথায় প্র্যাকটিস করবে, সব সূচি পূর্বনির্ধারিত। এখন দুয়েক দিন পরে ভারত যাত্রা মানেই বিশ্বকাপ প্রস্তুতিবে বাঁধা। তাই বিসিবি ২৩ জানুয়ারী বিপিএল ফাইনালের আয়োজন করে ২৫ জানুয়ারী জাতীয় দলের বিশ্বকাপ যাত্রার জন্য নির্ধারন করে রেখেছে।সে কারণেই আসলে চট্টগ্রাম পর্ব বাতিল করে সিলেট থেকে খেলা সরাসরি ঢাকায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত। এই প্রতিবেদন তৈরী সময় সিলেটে টেকনিক্যাল কমিটি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যরা মিলে হিসাব মেলাচ্ছিলেন সিলেটে ৪ জানুয়ারীর পর ক’দিন খেলা আয়োজন করে সরাসরি ঢাকা নিয়ে আসা যায়।ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে, চট্টগ্রামে খেলা হচ্ছেনা এটা নিশ্চিত। সিলেটে ৪ জানুয়ারীর পর কদিন হবে, আর ঢাকায় ঠিক কবে থেকে খেলা শুরু সেটা আজ বুধবার দুপুরের পর থেকে বিকেলের মধ্যে জানা যাবে।বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে লজিস্টিক সমস্যার কথা বললেও নেপথ্যে খরচ কমানোর বিষয়টিও আলোচনায় আসছে। একটি ভেন্যু কমিয়ে ফেললে আয়োজকদের বড় অঙ্কের টাকা সাশ্রয় হবে। তবে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রশ্ন তুলেছে—চট্টগ্রাম পর্বের বিরতির দিনগুলোর যেকোন একদিন(৭ ও ১০ জানুয়ারি) ম্যাচ আয়োজন করে কি এই জট কাটানো সম্ভব ছিল না?


মন্তব্য