চবি প্রতিনিধি >>>
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দে, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরী এবং প্রক্টরিয়াল বডিসহ হল প্রভোস্টদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১টায় প্রশাসনের পদত্যাগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। এখানে আধাঘন্টা অবস্থান করে ‘স্বৈরাচারের দোসরদের চবিতে ঠাঁই নাই,’ ‘ভ তে ভিসি, তুই দালাল তুই দালাল,’ ‘প তে প্রক্টর, তুই দালাল তুই দালাল,’ ‘এক দফা এক দাবি, প্রশাসন তুই এখনি যাবি’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।
পরে সকাল সাড়ে ১১টায় মিছিল নিয়ে শহীদ মিনার থেকে জিরো পয়েন্টে এসে চবির মূল ফটকে তালা দেন তারা৷ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ( সোয়া ১টা) শিক্ষার্থীরা চবির মূল ফটকে অবস্থান করছেন।
এ বিষয়ে চবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান নির্লজ্জ প্রশাসন নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখার জন্য একটা গোষ্ঠীর সাথে আপোষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি বহাল এবং হলগুলো একটা পক্ষের হাতে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে। তাই এই প্রশাসনকে দ্রুত পদত্যাগের জোর দাবি জানাচ্ছি।
চবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সাথে বসেছে, মিটিং করেছে এবং আমাদের যে দাবি সেগুলো বাস্তবায়িত না হয় সেই পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর কাছে তুলে দেওয়ার পায়তারা করছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই এই পায়তারা করা বন্ধু করুন এবং আজকের মধ্যে পদত্যাগ করুন।
উল্লেখ্য, চবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসন), প্রক্টরিয়াল বডিসহ হল প্রভোস্টদের পদত্যাগের দাবিতে গতকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত আলটিমেটাম দেয় শিক্ষার্থীরা। এ সময়ের মধ্যে কেউ পদত্যাগ না করাই উপাচার্যের বাসভবন, প্রক্টরের কার্যালয় এবং চবির মূল ফটকে তালা দেয় তারা। আজও একই দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন তারা।
মন্তব্য