স্টাফ রিপোর্টার আর জে রাজ>>> লালমনিহাট জেলা, পাটগ্রাম উপজেলা,বুড়িমারী স্থলবন্দরে দীর্ঘদিন থেকেই চলছে বোমা মেশিন,অনেক চেষ্টা করার পরেও এই মেশিন বন্ধ করা হয়নি,দিনমজুরের থেকেই এই মেশিনে কাজ করলে,অনেক বেশি সেলারি তাই বুড়িমারী ও পাটগ্রামের সকল ছাত্র এই মেশিনে শ্রম দিয়ে থাকে,এতে করে বাবা-মা খুশি সন্তানও খুশি।উত্তরবঙ্গের দিন দিন কমে যাচ্ছে ছেলেদের পড়াশোনার হার,বাবা-মা ছেলেদেরকে নানান রকমের টাকার চাপ দিলে তারা এই মেশিনে কাজ করতে বাধ্য হয়,কাজ করার কিছু দিন পর তারা বাসায় বিয়ের চাপ দেয় বাসায় থেকে বাধ্য হয়ে তখন তাদেরকে বাল্যবিবাহ দেওয়া হয়।এতে করে বাল্যবিহার হার অনেক বেশি বেড়ে চলেছে,মোঃ ওমর ফারুক (৩০) বাসা পাটগ্রাম,আউলিয়ার হাট,তিন বছরের একটি বাচ্চা আছে।অনেক কাজের সাথে জড়িত,কম বেশি সব কাজেই তিনি পারে,মাঝে মাঝে রাজমিস্ত্রি,দিনমজুরি,করে থাকেন।দুই একজন বন্ধু এবং ভাতিজার সঙ্গে হঠাৎ করেই নদী থেকে পাথর তোলা মেশিনে,কাজ করার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।কাজ শেষ করে ভাতিজা সহ নদী পাড়ি দিতে গিয়ে,নদীর স্রোতে ডুবে যায়।ভাতিজা অনেক চেষ্টা করার পরে তাকে আর খুঁজে পাইনি,ভাতিজার বলেন চাচাকে আমি অনেকবার জিজ্ঞেস করেছি,আপনি কি সাতার কেটে নদী পাড়ি দিতে পারবেন, চাচা একবার বলতো পারবে একবার বলে পারতো না,হঠাৎ এই মেশিনে কাজে আসার পর চাচা শরীরটা ভাল ছিল না,কাজ করার পর শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে।চাচার পরানো ছিল জিন্স প্যান্ট তাই চাচার সাঁতার কাটতে কষ্ট হয়ে যায় আমি নদী পার হয়ে যাই,চাচা স্রোত মধ্যে পড়ে যায়।পরে আর চাচাকে খুঁজে পাইনি।ফায়ার সার্ভিসকে জানানোর পরে তারা এসে বিস্তারিত দেখার পর,রংপুর দুবারু টিমকে জানানো হয়।তারা এসে নদীতে নামার পরে,কিছুক্ষণের মধ্যে লাশ নিয়ে আসে।দুবারু টিমের সদস্য কাছ থেকে জানতে পারি,অনেক গভীর হওয়ার কারণে সাথে বড় বড় ঢেউ থাকার কারণে তিনি কুলি উঠতে পারিনি,পানির গভীরে কোমরের উপরে প্যান্টের ভিতরে বালু ঢুকে গিয়েছিল তাই উপরে উঠতে পারিনি।পাটগ্রাম উপজেলা,প্রশাসনকে জানানো পর।ছাত্র-ছাত্রী ও বিজিবি কে নিয়ে এসে বোমা মেশিন ধ্বংস করে।এতে করে এলাকাবাসী অনেক খুশি।এলাকাবাসী বলেন এই মেশিন চলাকালীন আমরা শান্তি মত ঘুমাতে পারিনা,আমাদের ছোট বাচ্চাদেরকে একটু ছেড়ে রাখতে পারি না,ছাত্রছাত্রীরা যদি চেষ্টা করে এই মেশিন বন্ধ হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ,মোঃ ওমর ফারুক যে মেশিনের শ্রমিক ছিলেন,সেই মেশিনের মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।


মন্তব্য