৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে চসিকের ১৯৮ কোটি টাকা কর আদায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫৪ কোটি১৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা চট্টগ্রামে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের বিক্ষোভ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তদন্তে বিতরণ সংস্থাগুলোকে নির্দেশ আমানতকারীদের দাবি: বাংলাদেশ ব্যাংকে স্মারকলিপি ও বিক্ষোভ সাতকানিয়ায় কৃষিতে সরকারি প্রণোদনা কার্যক্রম শুরু বকশিরখীল আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন কমিটি গঠন চন্দনাইশে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণ: ২ যুবক গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশাচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন সুনামগঞ্জ জেলা সদরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনের দাবিতে গণমিছিলও স্মারকলিপি প্রদান
আন্তর্জাতিক:
শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্য জগতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য
     
             

দৃষ্টিভঙ্গি সংস্কৃতি আলাদা হলেও দেশ ও দেশের মাটি এক – পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিউজ ডেক্স

চট্টগ্রাম পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, সকল সংস্কৃতির মাঝে যদি আমরা ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করতে পারি তাহলে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখা যাবে। পাহাড়িদের সংস্কৃতির সাথে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের সংস্কৃতি ও চেতনার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু এদেশের মাটি, আকাশ, বাতাস সবকিছুই আমাদের সকলের। এখানে কোন পার্থক্য নেই। তাই বলছি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচার –ব্যবহার আলাদা হলেও দেশ ও দেশের মাটি এক।আজ রাঙ্গমাটি বীর মুক্তিযোদ্ধা চিং হ্লা মং চৌধুরী মারী স্টেডিয়ামে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত চট্টগ্রাম পাহাড়ী ৩ জেলার ১৬ সম্প্রদায়ের পরিবেশনায় ফুড এন্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি আমাদের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি প্রকাশ না করি, মানুষকে যদি জানতে না পারি তাহলে এগুলোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে। আমাদের খাবারের সাথে অনেকে পরিচিত নয়। তাদের জন্য এধরনের ফেস্টিভ্যাল আরো বেশি বেশি করে আয়োজন করা দরকার। তাহলে আমাদের অতীত সর্ম্পকে সারাদেশের মানুষের কাছে ধারনা জন্ম নেবে, এবং তারা আমাদের সংস্কৃতি ও খাবারের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে।অনুষ্ঠানের প্রথমে প্রধান অতিথিসহ সকলে মিলে বেলুন উড়িয়ে ফুড এন্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল ২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন করেন। পরে মেলার বিভিন্ন স্টলে গিয়ে নানা রকম খাবার পরখ করে দেখেন।ফেস্টিভ্যালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা’র সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মশিউর রহমান এনডিসি, রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ, জেলা ম্যাজিস্ট্র্যাট মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌকির বক্তৃতা করেন।সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার বলেন, আমাদের দেশে পাহাড়িদের খাবার নিয়ে অন্যান্যদের অনেক কৌতুহল ছিল। তারা জানতে চায় আমরা খাবারের তালিকায় কি কি খেয়ে থাকি। এটা আগে ছিল কিন্তু এখন সেটা নেই। মানুষ এখন অনেক এগিয়ে গেছে, তারা এখন এসব বিষয়ে কৌতুহল দেখায় না। এধরনের ফেস্টিভ্যালে মানুষের মেলামেশায় সবার মাঝে ভাবের আদান প্রদান বেড়ে গেছে। আজকে রাঙ্গামাটিসহ অন্যান্য অঞ্চলের পাহাড়িরা দেশের নাম বিশে^ উজ্জ্বলে ভূমিকা রাখছে। তারা অলম্পিকে গিয়ে স্বর্ণ পদক অর্জন করেছে। এটা শুধু রাঙ্গামাটি বা চট্টগ্রামের জন্য নয় এটা সারা দেশের জন্য।সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, এ ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে আমরা ১৬ টি সম্প্রদায়ের খাবার, কাপড়, আচার-ব্যবহার ও তাদের বাদ্যযন্ত্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পেরেছি। এগুলো সংরক্ষণ করে না রাখলে আগামীতে খুজে পাওয়া যাবে না। আমি আশা করি এগুলো যদি সংরক্ষণ করে রাখা যায় তাহলে আগামীতে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ^ ঐতিহ্যতে এগুলো স্থান পেতে পারে।ফেস্টিভ্যালে নানা রকমের, নানান রঙের পিঠাসহ রসনাবিলাসসমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী বাহারি খাবারসামগ্রী দেখতে-খেতে আসছেন বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার মানুষ। এরমধ্যে শিশু-কিশোরদের মাঝে বাড়তি আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। মেলায় ১৬টি সম্প্রদায়ের দোকান বসেছে। এ মেলা ১লা ফেব্রæয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর‌্যন্ত বেলা তিনটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মোট তিনদিন চলবে।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page