১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
চাটখিলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও নগদ টাকাসহ ১০ জন গ্রেপ্তার বৃষ্টিতে ফের ডুবলো চট্টগ্রাম, শংকিত নগরবাসী পানছড়িতে ওএমএসের চাল-আটা বিতরণে ওজন কম দেওয়ার অভিযোগ, মেহনতি হতদরিদ্র মানুষদের কুতুবদিয়া কোস্ট গার্ডের অভিযান! মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট ও সার জব্দ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ায় পাট কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, মারধরের শিকার কেয়ারটেকার প্রেক্ষাপট: টাইগারদের কাছে হারের পর জরিমানা ও শাস্তির মুখে অস্ট্রেলিয়া দল সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় ৩৩ কোটি টাকার পুরস্কার, ইতিহাসে প্রথমবার নারীদের অংশগ্রহণ আরবি লাইপজিগের বিপক্ষে গোল করার পর মাঠে লুটিয়ে পড়লেন জামাল মুসিয়ালা কাতারে আটক পাইলটদের বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রতিনিধি দল পাঠাতে চায় ইরান দেশে হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯১৫
আন্তর্জাতিক:
সৌদিতে কোরআন প্রতিযোগিতায় ৩৩ কোটি টাকার পুরস্কার, ইতিহাসে প্রথমবার নারীদের অংশগ্রহণ কাতারে আটক পাইলটদের বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রতিনিধি দল পাঠাতে চায় ইরান হাওয়াইয়ে ঘূর্ণিঝড় লালার তাণ্ডব: নিহত ১, বিদ্যুৎহীন ১ লাখ ৮৩ হাজার গ্রাহক আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে স্থিতিশীলতা বজায় স্পেনের সেউতায় আশ্রয়ের দাবিতে হাজারো অভিবাসীর বিক্ষোভ, মানবিক সংকটের আশঙ্কা বিশ্বের দীর্ঘতম ১০ বিমানযাত্রার বর্তমান চিত্র ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ট্রাম্পের মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন ইরানের সেনাপ্রধান, দিলেন কঠোর হুঁশিয়ারি সৌদিতে নিলামে ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি হলো বিরল সাদা বাজপাখির ছানা প্রেক্ষাপট: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরাজয় না হওয়া পর্যন্ত পিছু হটবে না ইরান ক্ষমতার পাঁচ বছর: তালেবান শাসিত আফগানিস্তানের অর্জিত সাফল্য ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র
     
             

এখন পর্যন্ত ২৫ ফ্যাক্টরিতে ভাঙচুর, ১৩০টি বন্ধ : বিজিএমইএ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত ২৫টি ফ্যাক্টরিতে ভাঙচুরের ঘটনা এবং ১৩০টি ফ্যাক্টরি বন্ধ আছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। তবে বেতন বৈষম্য নাকি হরতাল-অবরোধের কারণে এমন হচ্ছে, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেনি সংগঠনটি।রোববার (১২ নভেম্বর) দুপুরের উত্তরার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সংগঠনটির সভাপতি ফারুক হাসান।ফারুক হাসান বলেন, আমরা যখন বৈশ্বিক ও আর্থিক চাপের মধ্যে থেকেই টিকে থাকার সংগ্রাম করছি, ঠিক তখন শিল্পকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানা অপতৎপরতা। বিশেষ করে আমাদের শান্ত শ্রমিক গোষ্ঠীকে উসকানি দিয়ে অশান্ত করা হচ্ছে। আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে সে লক্ষ্য করছি, মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। মজুরি ঘোষণার পর থেকে বেশ কিছু কারখানায় অজ্ঞাতপরিচয় কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক অযৌক্তিক দাবিতে বেআইনিভাবে কর্মবিরতি পালন করে কর্মকর্তাদের মারধর করেছে, কারখানার ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো এ ব্যাপারে আমাদেরকে ভিডিও ফুটেজ দিয়েছে, মামলার কপিও আমাদেরকে দিয়েছে।তিনি বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আশুলিয়া, কাশিমপুর, মিরপুর ও কোনাবাড়ি এলাকার প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানা কারখানা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব কারখানা শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী, সেগুলোতে কাজ চলছে। তাদের কাজ চলমান থাকবে। দুঃখের বিষয় যে, যখন মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার গঠিত ন্যূনতম মজুরি বোর্ড কাজ করছিল, তখনও কারখানা ভাঙচুর, কারখানায় অগ্নি-সংযোগের ঘটনা ঘটেছে।বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, উদ্যোক্তারা কিন্তু অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে থেকেই অনেক ঝুঁকি নিয়ে এই শিল্প পরিচালনা করছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন, অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। এমন অনেক উদ্যোক্তা আছেন, যারা লোকসান দিয়েও কারখানা সচল রেখেছেন, শুধুমাত্র ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য। শ্রমিকদেরকে বেতন দিচ্ছেন ঋণের বোঝা মাথায় রেখে।তিনি বলেন, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার ৮৮৫টি পোশাক কারখানা বিজিএমইএ এর সদস্যপদ গ্রহণ করলেও কালের পরিক্রমায় ৩ হাজার ৯৬৪টি সদস্য কারখানা বিভিন্ন কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। অবশিষ্ট ২ হাজার ৯২১টি সদস্য কারখানার মধ্যে ২ হাজার ৩৩৯টি কারখানা বিজিএমইএ-তে তাদের সদস্যপদ নবায়ন করেছে। এই ২ হাজার ৩৩৯টি সদস্য কারখানার মধ্যে মাত্র ১ হাজার ৬০০টি সদস্য কারখানা ক্রেতাদের কাছ থেকে সরাসরি অর্ডার এনে কাজ করছে। অর্থাৎ আমাদের এ মুহূর্তে সরাসরি রপ্তানিকারক কারখানার সংখ্যা মাত্র ১ হাজার ৬০০টি।তিনি আরও বলেন, সদস্যপদ নবায়ন করা ২ হাজার ৩৩৯টি কারখানার মধ্যে ১ হাজার ৬০০ কারখানা বাদে বাকি কারখানাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কারখানা বিভিন্ন ব্যাংক দেনা ও দায়ের কারণে সরাসরি ব্যাক-টু-ব্যাক খুলতে পারছে না। ফলে তারা ক্রেতাদের কাছ থেকে সরাসরি অর্ডার নিতে পারছে না। এই সদস্য কারখানাগুলো মূলত সাব-কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছে। অবশিষ্ট কারখানাগুলো ব্যাংক দেনা ও আর্থিক সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। তবে তারা আগামীতে দেনা পরিশোধ করে ব্যবসায় ফিরে আসতে ইচ্ছুক।এ পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, শিল্পের উত্থানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বন্ধ কারখানার সংখ্যাও বাড়ছে। শুধু করোনা মহামারির কারণে ২০২০-২১ সালে বন্ধ হওয়া কারখানার সংখ্যা ৩১৭টি এবং পরবর্তীতে অন্যান্য কারণে প্রতিযোগী স

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page