২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
জামালপুর সদর এখন মাদক ও কিশোর গ্যাং এর কবলে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারের পথে। সাতকানিয়ায় বাজালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা হাম-রুবেলা মুক্ত করতে বাঁশখালীতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু। পরিবারের সুখ-শান্তি কামনায় বৌদ্ধ ভিক্ষুকে পিণ্ডদান করলেন টমাস চাকমা দুই যুগধরে সেবা থেকে বঞ্চিত পানছড়ি এলাকাবাসী। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন, ১৬ ফ্লাইটে যাবেন ৬ হাজার হাজি চট্টগ্রামে ৩১২ কোটি টাকার অবৈধ জাল জব্দ কুরুইন টাইগার ক্লাবের নতুন কমিটির শুভ উদ্বোধন, নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হোসেন অ্যামোনিয়া নেই, উৎপাদনও নেই—বন্ধ ডিএপি প্ল্যান্ট ইছামতি নদীর ভাঙন রোধে ব্লক স্থাপনের উদ্যোগ, রাঙ্গুনিয়ায় পরিদর্শন প্রতিনিধি দলের
আন্তর্জাতিক:
তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক ভারতকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ হরমুজ: ভূ-রাজনীতির অগ্নিপথ ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উদ্বেগ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: মার্কিন কোষাগারে বিপুল খরচের বোঝা ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ: নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানের সফল শুরু সমুদ্রতলের ডিজিটাল ধমনী ও ইরান-মার্কিন সংঘাত: বিশ্ব অর্থনীতি কি ধসের মুখে
     
             

ইউক্রেন মুক্ত হও,ইসরায়েল আমেরিকার পথ দেখ

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

নিউজ ডেস্ক >>> রাশিয়ার রাজনৈতিক কৌশল যে কারণে প্রাসঙ্গিক তা হলো বিগত একবিংশ শতাব্দী শেষ হওয়ার অল্প আগে উনিশ শ নব্বই এর প্রারম্ভে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্যসহ দুনিয়ার যত গুলো রাষ্ট্র আক্রান্ত হয়েছে তার মূল হোতা কারা বা কি কারণে ঐ সমস্ত বাস্তবতার বিষদ আলোচনার ইতিবৃত্তের রক্তাক্ত ইতিহাসের তথ্য প্রমাণ ন্যায় অন্যায়ের বিচার ও জবাবদিহিতার ধারাবাহিকতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ বিরোধ কেন ইহার আসল হেতু,র থলের বিড়াল অচিরে বিশ্ব নজরে বেরিয়ে আসতে পারে।

বর্তমান ইসরায়েল ফিলিস্তিনের পরিস্থিতির দিকে তাকালে চোখের সামনে অতীতের অনেক বাস্তবতা ধরা দেবে,রাশিয়ার রাজনৈতিক কৌশল অতি পরিপক্ব ও অসম্ভব সন্তর্পণে রাশিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান,ভুল সিদ্ধান্তে পা বাড়ানোর মত বোকা রাশিয়া নয়,যে কারনে এশিয়াসহ পৃথিবীর অন্যান্য বহু দেশের জন্য রাশিয়া একটি ভরসা ও বিশ্বাসের জায়গা।নব্বই পরবর্তী তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্বরাজনীতি থেকে তাদের প্রাদেশিক ও অভ্যন্তরিন দেন-দরবারের প্রাক্কালে সুযোগ সন্ধানী আমেরিকার কুচালের থ্রুপের তাজ হিসাবে ব্যবহারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সৃষ্ট ওসামা বিন লাদেনকে লেলিয়ে গুছানো একটি সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে টুকরো টুকরো এবং তার একি সাথে ইরাকে রাসায়নিক অস্ত্র মওজুদের অজুহাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামের সিংহ পুরুষ প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাত ও হত্যা, আমেরিকার ছত্রছায়ায় গড়ে উঠা মদদপুষ্ট কথিত সন্ত্রাসী ওসামা বিন লাদেনের আল কায়েদাকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের ছুতোয় আফগানিস্তানের ভূতলে উপর্যুপরি বোমার আঘাতে আফগানকে আকাশে উড়িয়েছেন বহুবছর।অপরদিকে সিরিয়াকে বশীকরণের জন্য আইএস জঙ্গি গোষ্ঠী দ্বারা পৃথিবীর সেরা ক্ষমতাধর আমেরিকা সিরিয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে অন্যায় ভাবে উৎখাতের প্রচেষ্টা এবং লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট কর্নেল গাদ্দাফিকে স্বৈরশাসকের মিথ্যা অপবাদে দুনিয়া থেকে চির বিদায়ের জন্য খোলা রাজপথে নির্মমভাবে হত্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ইশারা,ইরান ও উত্তর কোরিয়ার পারমানবিক অস্ত্র তৈরি বিশ্বের জন্য হুমকি ইত্যাদি প্রপাগান্ডা ও মিথ্যা অভিযোগে দেশ দু’টির বিরুদ্ধে বারবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ,চীন যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি গুরু না মানার বৈরীতা এবং অতি ঠুনকো কারণে দূর্বলতার সুযোগ নিতে অভ্যস্ত পশ্চিমারা ইতিহাসে খলনায়কের চরিত্রের জন্য আমেরিকাকে পৃথিবীর মানুষ কোনদিন ভুলতে পারেন না।আশ্চর্যের বিষয় যে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্টার কথা বলে যতসব অপকর্মের হোতা আমেরিকার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ন্যাটো সদস্য ইউরোপের দেশ গুলোর আচরন ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের সমমাত্রার,অথ্যাৎ এক চেহেরায় মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।অন্যায়ের খুঁটি মজবুত করতে নির্দ্বিধায় পাখির মত মানুষ হত্যার জন্য এযাবৎ আমেরিকা বিশ্ব সেরার খেতাব পাওয়ার দাবী রাখেন।

ইরাক আফগান ও সিরিয়া ধ্বংসের পর ইরানের সঙ্গে আমেরিকার লাগাতার বৈরী আচরন দুনিয়ার মানুষ সবসময় দেখে আসছে।
গায়ে পড়ে যুদ্ধ বাধাতে আমেরিকার হয়ে ন্যাটোর ভুমিকা ছিলো সর্বদা উসকে দেয়ার পক্ষে,আর জাতিসংঘের অবর্ননীয় অযোগ্যতা আমেরিকার আসল পুঁজি।
এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সত্তরের দিকে ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে শুরু করে যতপ্রকার যুদ্ধ দামামা জবরদখলে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন বানিজ্য ইহা কতটুকু যুক্তিযুক্ত বা ন্যায় সঙ্গত কিংবা মানবিক তা পর্যালোচনার মোক্ষম সময় পৃথিবীর মানুষের চোখে ধরা পড়ার সময় অতি সন্নিকটে বলে ধারণা জাগে।

দীর্ঘ সত্তর বছরের অধিক সময় ধরে আমেরিকার মদদপুষ্ট আগ্রাসী ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলি দখলদারিত্বের কবল থেকে ফিলিস্তিনিদের আরব ভূখণ্ড উদ্ধারের মুক্তির সংগ্রামে ঘুরে দাড়ানোর জন্য আরবের বিপ্লবী জনগণের টনক নড়ছে আপাতত ইহাই প্রতীয়মান হয়।লক্ষণীয় ব্যাপার হলো এত দীর্ঘ সময় পর রাশিয়ার নিরংকুশ সমর্থন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের জন্য নিঃসংকোচে শক্তিশালী যুদ্ধাবস্থান বলে ধরে নেয়া যায়।
কুটনৈতিক বিশ্লেষণে আমেরিকা এযাবত বিশ্বে অন্যায় ভাবে যত গুলো যুদ্ধ বাঁধিয়ে অনর্থক রক্তপাত ও পাখির মত মানবনিধনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তার হিসাব নিকাশের তালিকা প্রনয়নের সুযোগ সৃষ্টির জন্যই কানামাছি ভোঁভোঁ র মত রাশিয়া ইউক্রেনের ঘাড়ে শোয়ার হয়েছে বলে ধারণা।
কেননা ইসরায়েল ফিলিস্তিনের মধ্যকার চলমান পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে রাশিয়ার কবল থেকে ইউক্রেনকে তুলে আনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রশ্নে রাশিয়ার যুক্তি ও জিজ্ঞাসা থাকতে পারে রাশিয়ার কব্জায় ইউক্রেন সবে মাত্র দুই বছর আগের কথা।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব দীর্ঘ সত্তর বছর ধরে,কাজে ইউক্রেনকে বাঁচানোর প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী সহচর ইসরায়েল টিকে থাকতে সক্ষম হবেন কি ? প্রবাদ আছে কান টানলে মাথা আসে,
তাই এবারের শ্লোগান “ইউক্রেন মুক্ত হও,ইসরায়েল আমেরিকায় লুকাও”।

কবি শাহাদাত হোসেন তালুকদার
(সাহিত্য সম্পাদক)
বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page