১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
সাতকানিয়ার দেওয়ানহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: বিষাক্ত রং মেশানো মাছ জব্দ ও ধ্বংস শিবপুরে স্বাধীনতা দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সখিপুরে দুর্যোগ প্রস্তুুতি উপলক্ষে মহড়া ও আলোচনা সভা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার বহরপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মোট ২১টি দোকান পুড়ে গেছে। রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর কিপার ফারুকের কান্ড। বাঁশখালীর গন্ডামারায় এমপি জহিরুল ইসলামকে নাগরিক সংবর্ধনা কক্সবাজার সৈকতে কোন অবৈধ স্থাপনা থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফটিকছড়িতে বরযাত্রীবাহী বাস উল্টে মোটরসাইকেলের ৩ আরোহী নিহত, আহত ১৭ সাতকানিয়া ইটভাটা মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন দোহাজারীতে সিএনজি-অটোরিকশা চালকদের হয়রানি বন্ধের নির্দেশ এমপি জসিম উদ্দিনের
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> সুনামগঞ্জ
  • সুনামগঞ্জে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রীসহ ৯৯ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের
  • সুনামগঞ্জে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রীসহ ৯৯ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি>>> গত ৪ই আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সুনামগঞ্জ জেলা আ’লীগের নির্দেশে ছাত্র জনতার উপর বর্বর হামলার ঘটনায় সুষ্ঠ বিচার ও অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে দ্রুত বিচার আইনে সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।সোমবার দুপুরে ছাত্র আন্দোলনে জখমীর বড় ভাই দোয়ারাবাজর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের এরোয়াখাই গ্রামের নাজির আহমেদের ছেলে হাফিজ আহমদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।মামলায় সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান,সাবেক সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক,এড. রনজিৎ সরকার, সাবেক সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট,সাধারন সম্পাদক নোমান বখত পলিন, সাবেক পৌর মেয়র নাদের বখত,সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল,ঘটনাকালীন দ্বায়িত্বরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস ও সদর থানার তৎকালীন ওসি খালেদ চৌধুরীসহ ৯৯ জনকে আসামী করা হয়েছে।মামলা সূত্রে জানা যায়,গত ৪ই আগস্ট সুনামগঞ্জ শহরের পুরাতন বাসস্টেন্ড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জেলা আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠনের সন্ত্রাসীরা ছাত্রদের উপর গুলি করে, রামদা দিয়ে কুঁপিয়ে,রড হাতুড়ি দিয়ে পিঠিয়ে লাশ গুম করার হুকুম দেয়া হয়।হুকুম পেয়ে আ’লীগের সন্ত্রাসীবাহিনী ছাত্রদের উপর বর্বরোচিত হামলা চালায়।রামদা,রড,হকিস্টিক,পেট্রোল-বোমা, ককটেল ফাটিয়ে এলাকায় একটি ভীতিকর পরিস্থিতিরি সৃষ্টি করা হয়। এমনকি এ সময় অবৈধ পিস্তল দিয়েও হামলা চালায় নিরীহ ছাত্রদের উপর।এতে করে অসংখ্য ছাত্র ও জনতা মারাত্মকভাবে জখমপ্রাপ্ত হন।আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এ হামলার হাত থেকে বাঁচতে লুকিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেও রক্ষা পাননি শিক্ষার্থীরা।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস ও ওসি খালেদা চৌধুরী নিজ হাতে শর্টগান দিয়ে গুলি করে পা ঝাঝড়া করে দেন। প্রানে বাঁচার জন্য অপর আহত রিপন একটি বাসায় সিএনজির পেছনে লুকিয়ে পড়লেও ওসি খালেদ চৌধুরী তাকে লক্ষ্য করে তার পায়ে গুলি করে পা ভেঙ্গে দেন।তাদের চিৎকার শুনে কিছু গণমাধ্যমকর্মীরা এগিয়ে এসে তাকে একটি রিক্সায় করে হাসপাতালে পাঠান। সেখানেও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা চিকিৎসা নিতে বাঁধা দেয়। পরবর্তীতে তাকে চিকিৎসার জন্য সিলেট পাঠানো হয়।এভাবে গত ৪ই আগস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশের কিছু অসাধু কর্মী শিক্ষার্থী ও সাধারন জনগনের উপর নির্মম অত্যাচারে মেতে উঠে।এ সময় অসংখ্য শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ পথচারী সাধারন জনতাও মারাত্মকভাবে জখম প্রাপ্ত হন।এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান বাদী হাফিজ আহমদ।এ ব্যাপারে বাদীর আইনজীবী মোশাহিদ আলম জানান,আদালতের বিচারক নির্জন মিত্র মামলাটি গ্রহণ করে সুনামগঞ্জ সদর থানাকে এফ আই আর এর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page