আনোয়ারুল আজিমঃ চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি >>> নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার পূর্ব শোশালিয়া ঈদগাহ দিঘীর মালিকানা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে চরম উ’ত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষ পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের তিনজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিজার করছে।গতকাল শনিবার সকালে গ্রামবাসীর পক্ষে দিঘিতে মাছের পোনা ছাড়তে গেলে দিঘির পাড়ে বসবাসরতরা তাদের মালিকানা দাবি করে তাদের মাছের পোনা ছাড়তে দেয়নি। এই সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছে দুই পক্ষের তিনজন।আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে দিঘিটি ১৬ আনা অংশের ১০ আনা দাবি করে অপর পক্ষের সফিউল বাসার বাবুল শেখ, শেখ কামাল, ইউপি সদস্য শাহ জামাল কালু, সিরাজুল ইসলাম সহ তাঁরা আরো কয়েকজন শোশালিয়া শেখের বাড়ির প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পাল্টা এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন দিঘীটির প্রকৃত মালিক যিনি ছিলেন তিনি এটি এলাকাবাসীর ব্যবহার এবং ঈদগাহ ও কয়েকটি মসজিদে দানের উদ্দেশ্যে দিঘীটি রেখে যান। কিন্তু মেহেদী হাসান রাকিবের দাদা একটি জাল দলিল সৃষ্টি করে দিঘীটি দীর্ঘদিন অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছেন।এ নিয়ে তাদের সাথে গ্রামবাসীর দীর্ঘদিন মামলা চলে আসছিল। এক পর্যায়ে স্থানীয় গ্রামবাসী বিশিষ্টজনেরা একত্রিত হয়ে রাকিব সহ দিঘীর পাড়ের বাসিন্দাদের ৬ আনা অংশ আর বাকি ১০ আনা অংশ গ্রামবাসীরা ঈদগাহ ও মসজিদের কাজে ব্যবহার করবেন। এই মর্মে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ছোলেনামা (চুক্তি) স্বাক্ষর হয়েছে। এভাবে গত ৩০ বছর চলে আসছিল। ইদানিং তারা আবারও দিঘীটি জবর দখল করে সেচে মাছ বিক্রি করেছে। তাই আমরা দিঘীটিতে মাছের পোনা ছাড়তে গেলে তাদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এটি কোন দলীয় বিষয় নয়, তাদের সাথে গ্রামবাসীর দিঘীর মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আবদুল হালিম, আহসান উল্যাহ, নাসির উদ্দীন বকশি, আবদুর রশিদ রিপন প্রমূখ।


মন্তব্য