২৮শে আগষ্ট সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের জনার কেওচিয়া গুরা মিয়ার বাড়ির মৃত সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ তসলিম বাদী হয়ে পেনাল কোর্ট এর ৬টি ধারায় এবং বিস্ফোরক আইনের ৩ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বিগত ১৮ই জুলাই “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে সাতকানিয়ার সর্বস্তরের জনসাধারণের সাথে নিয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে ছাত্রদের নেতৃত্বে কেরানিহাট হক টাওয়ার প্রাঙ্গণে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র অবস্থায় শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসূচী পালন করতেছিলাম। এমন সময় উপরে উল্লেখিত এজাহার নামীয় আসামীগণের প্ররোচনায় অর্থায়নে ও তাহাদের নির্দেশে এজাহারনামীয় আসামীগণ’সহ ও অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনসন্ত্রাসীগণ সংহতি ও জন নিরাপত্তা বিপন্ন করিবার জন্য জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে কার্য হইতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে এজাহারনামীয় আসামীগণ পূর্বপরিকল্পিভাবে দেশীয় ও বিদেশী অস্ত্র-শস্ত্র, লোহার রড, ৩২৪/৩২৫/ ৬০৭) বিষ্ফোরণ ঘটাইয়া অতর্কিতভাবে হামলা করে।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান দৈনিক আজাদীকে বলেন, কেওচিয়া ইউনিয়নের জনার কেওচিয়া গুরা মিয়ার বাড়ির মৃত সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ তসলিম বাদী হয়ে ৮১ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক এবং অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনকে আসামী করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি, তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।











মন্তব্য