১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। নির্বাচনে ব্লেইম গেম বা নাটকের সুযোগ নেই -চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।  আমি আপনাদের সন্তান নির্বাচনী প্রচারণা শাহজাহান চৌধুরী  চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম শুরু, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট স্থগিত চট্টগ্রামে ভোটের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন,৬ শতাধিক কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ গজের ভিতর সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কঠোর নির্দেশনা পটিয়ায় হৃদয় নামের এক তরুণের আত্মহত্যা। চট্টগ্রাম-১১ আসনে দাঁড়ি পাল্লার সমর্থনে নারী মিছিলে মহিলাদের ঢল চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে সরকার কঠোর হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থী ও সমর্থকরা
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য
  • নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বাঘায় পদ্মা নদীতে চলছে ইলিশ ধরার মহোৎসব
  • নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বাঘায় পদ্মা নদীতে চলছে ইলিশ ধরার মহোৎসব

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    সোহেল রানা,প্রতিনিধি >>> ইলিশ প্রজনন মৌসুমে (৪–২৫ অক্টোবর) ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজশাহীর বাঘায় পদ্মা নদীতে চলছে ইলিশ ধরার মহোৎসব। মৎস্য অধিদপ্তরের কঠোর নির্দেশনা সত্ত্বেও জেলেরা গোপনে মা ইলিশ ও জাটকা শিকার করছেন, বিক্রি হচ্ছে প্রকাশ্যেই নদীর তীরে ও বাজারে।রোববার (১৯ অক্টোবর ২০২৫) পর্যন্ত ১৬ দিনে ৩ কেজি ইলিশ ও প্রায় ৪ হাজার মিটার জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। তবে কাউকে আইনের আওতায় আনা যায়নি, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রশ্ন উঠেছে অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে।প্রতিপাদ্য ছিল— ‘মা ইলিশ রক্ষা পেলে, সারা বছর ইলিশ মেলে’— কিন্তু বাস্তবে চিত্র উল্টো। কিশোরপুর বাজারের এক দোকানে আলাপচারিতায় জানা যায়, পদ্মায় জাল ফেললেই ছোট-বড় ইলিশ মিলছে। আধা কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকা কেজি দরে, ছোট মাছ ৭০০ থেকে ৪০০ টাকায়। স্থানীয়দের ভাষ্য, সরকার যে ২৫ কেজি করে চাল দেয় তা দিয়ে সংসার চলে না, তাই বাধ্য হয়েই নদীতে নামতে হচ্ছে।জেলেদের একাংশ জানায়, দিনে কম, রাতে বেশি ইলিশ ধরা হয়। বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত পদ্মায় চলে জাল ফেলার প্রতিযোগিতা। ধরা মাছ নদীতীরের ঝোপঝাড় বা কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে গোপনে বিক্রি করা হয় স্থানীয় বাজারে।স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে অভিযান চললেও কিছু দায়িত্বশীলের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ সময়েও ইলিশ শিকার হচ্ছে। অনেকেই জানেন কারা জড়িত, কিন্তু ভয়ে মুখ খুলছেন না।মৎস্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, “এবার পদ্মায় পানির প্রবাহ বেশি থাকায় মাছও বেশি এসেছে। অন্তত ২০টি গ্রুপ রাতে জাল ফেলে মা ইলিশ শিকার করছে।”বাঘা উপজেলার চকরাজাপুর, চৌমাদিয়া, আতারপাড়া, কিশোরপুর, মীরগঞ্জসহ বিভিন্ন ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, ট্রলারভর্তি ইলিশ নোঙর করে রাখা। জেলেরা ট্রলারের খন্দ থেকে মাছ নামিয়ে ঝুড়িতে তুলে গোপন স্থানে সরিয়ে নিচ্ছে।জেলে ওয়ালিউর রহমান জানান, “নিষিদ্ধ সময়েও মাছ ধরতে হয়। কারণ ২৫ কেজি চাল দিয়ে পরিবার চলে না।” একই অভিযোগ করেন রিপন নামের আরেক জেলে, যার ২৫ বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, আর জেলে কার্ডও নেই।উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তহুরা হক বলেন, “অভিযান অব্যাহত আছে। কিছু জেলে চুরি করে মাছ ধরছে। ১৪ অক্টোবর চকরাজাপুর বাজার থেকে ৩ কেজি ইলিশ ও ২ হাজার মিটার জাল জব্দ করা হয়েছে। এর আগে আরও ২ হাজার মিটার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়, মাছগুলো দেওয়া হয় স্থানীয় এতিমখানায়।”তিনি দাবি করেন, এবার আগের চেয়ে কমসংখ্যক জেলে নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মাছ শিকার করছে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page