১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সৌদি প্রবাসীর লাশ দাফন খাগড়াছড়ি পানছড়ি দুর্গম পাহাড়ে চিকিৎসায় সেবা প্রদান করে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) কর্ণফুলী ড্রাই ডককে আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের আশ্বাস তিন প্রতিমন্ত্রীর ফরিদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা – ন্যায় বিচারের দাবি কঠোর নজরদারিতে চট্টগ্রাম বন্দরে দস্যুতা শূন্যে, ফিরছে আন্তর্জাতিক আস্থা ফরিদপুরে ইতালি পাঠানোর নামে প্রতারণা, আদালতের মামলায় নারী গ্রেফতার  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে বিপুল পরিমান ইয়াবা,১টি মোটরসাইকেলসহ এক চোরাকারবারী বিজিবির হাতে আটক। লবণের দামে দুশ্চিন্তায় চট্টগ্রামের চামড়া আড়তদাররা জানাজা শেষে জয় বাংলা স্লোগান চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার ১৯ মারা গেল আরো১ ২ শিশু, মৃত্যু ছাড়াল ৪৫০ হাম ও উপসর্গ
আন্তর্জাতিক:
লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক
     
             

ট্রাম্পের ধাক্কা সামলাতে ৪০ দেশের দ্বারে দ্বারে ভারত

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক >>> রাশিয়া থেকে তেল কেনায় ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ায় বড় ধাক্কা খেয়েছে ভারত। অতিরিক্ত শুল্কের চাপে দেশটির শিল্পকারখানাগুলো কার্যত ধুঁকছে এবং শ্রমিকদের বেতন দেওয়া নিয়েও সংশয়ের মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ পরিস্থিতিতে বস্ত্র ও পোশাকের বিকল্প বাজারের খুঁজছে নয়াদিল্লি।ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বার্তাসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, তারা ৪০টি দেশের কাছে যাচ্ছেন ও যাবেন, যাতে তারা বেশি করে ভারতীয় বস্ত্র ও পোশাক কেনে।এই দেশগুলির মধ্যে আছে, জার্মানি, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইটালি, স্পেন, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডসের মতো ইউরোপের দেশগুলি, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো এশিয়ার দেশ। তাছাড়া আছে অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, আমিরাত, ক্যানাডা, মেক্সিকোর মতো দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে ভারত। এছাড়া রাশিয়া ও চীনের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে ও হবে।ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কারোপ: আতঙ্কে ভারতীয় ব্যবসায়ীরাট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কারোপ: আতঙ্কে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা এই ৪০টি দেশে সম্মিলিতভাবে ৫৯০ বিলিয়ান মার্কিন ডলারের বাজার আছে। ভারত এই দেশগুলিকে বলবে, তাদের পোশাক ও বস্ত্রের মান খুব ভালো, টেকসই ও তার মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার ছাপ স্পষ্ট। সেজন্যই ভারতীয় পোশাক ও বস্ত্র অন্যদের থেকে আলাদা।আমেরিকায় ভারত গত আর্থিক বছরে এক হাজার ৮০ কোটি ডলারের বস্ত্র ও পোশাক রপ্তানি করেছিল। ৫০ শতাংশ হারে শুল্ক বসানোর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক ও বস্ত্র রপ্তানি বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেই ক্ষতিপূরণের জন্যই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওই দেশের ভারতীয় দূতাবাস এবং ভারতীয় শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনগুলি ৪০টি দেশে পোশাক ও বস্ত্র রপ্তানি বাড়াবার চেষ্টা করবে।‘ঝুঁকি নিতে হবে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার, প্রসার ভারতীর সাবেক ডিরেক্টর, সাবেক সাংসদ জহর সরকার কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। ডিডাব্লিউকে তিনি বলেন, ‘সরকার এখন যে চেষ্টা করছে, তাতে কিছুটা কাজ হবে। কিন্তু আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য কমে যাওয়ার পুরো ক্ষতিপূরণ এভাবে হবে না। আমাদের আরো কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে। দেশের ভিতরে ওই পণ্যের ব্যবহার আরো বাড়াতে হবে।’জহর সরকার বলেন, ‘যেমন ধরুন, চিংড়ি রপ্তানিতে ধাক্কা লাগলে পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা ও ওড়িশা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জাপান কিছুটা আমদানি বাড়তে পারে। বাকিটা আমাদের দেশের ভিতরে বাজার বাড়াতে হবে। এটা বাড়ছে না। আমাদের ফিসক্যাল পলিসির দুটো গদল আছে। ক্যাপিটালে বিনিয়োগ সরকার করছে, কিন্তু বেসরকারি সংস্থা করছে না। এটা রাতারাতি হবে না। দ্বিতীয়ত, কনসামশন কম। যাদের খরচ করার ক্ষমতা আছে, তারা করছে না। চীনও ঘরোয়া বাজার তৈরি করে সমস্যার মোকাবিলা করেছে।’ট্রাম্পের শুল্কনীতি ও দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাট্রাম্পের শুল্কনীতি ও দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা জহর সরকার মনে করেন, ‘পোশাকের ক্ষেত্রে একটা সমস্যা আছে। তুলোর দাম সস্তা হলে কৃষকরা মার খাবে, কিন্তু নির্মাতাদের সুবিধা হবে। এখন দেখতে হবে, কোথায় বেশি মানুষ যুক্ত, চাষের ক্ষেত্রে নাকি কারখানা বা পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে।’তবে তার মত হলো, ‘সংস্থাগুলিকে রপ্তানির ক্ষেত্রে ইনসেনটিভ দিতে হবে। আমার মতে, কারগো কমপেনসেশন বা পণ্য পাঠাবার জন্য খরচটা দেওয়া যেতে পারে। আমরা আরসিইপি বা রিজিওন্যাল কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ থেকে বেরিয়ে এসেছিলাম। সেখানে এখন যোগ দেওয়া উচিত। এই ঝুঁকিটা নেওয়া যেতেই পারে।’‘এছাড়া কোনো উপায় নেই’যোজনা কমিশনের সাবেক আমলা ও লেখক অমিতাভ রায় ডিডাব্লিউকে বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, অ্যামেরিকার বাড়তি শুল্কের ধাক্কা সামলাবার জন্য ভারতকে অন্য দেশে বাজার খুঁজতে হবে এবং দেশের বাজারকেও আরো চঙ্গা করতে হবে।’তার মতে, ‘ভারত যে ৪০টি দেশ বেছে নিয়ে সেখানে পোশাক ও বস্ত্র রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে এটা ঠিক পদক্ষেপ। তবে সমস্যা হলো, ইউরোপের দেশগুলি থেকে শুরু অস্ট্রেলিয়া, ক্যানাডার মতো দেশের জনসংখ্যা ও চাহিদা তুলনায় কম। রাশিয়ার কাছে এখন অর্থ নেই। চীন নিজের দেশের বাইরে ভিয়েতনাম থেকে সস্তায় পোশাক ও বস্ত্র কেনে। তারা যদি এরপরও ভারত থেকে পোশাক ও বস্ত্র কিনতে রাজি হয় তাহলে ভালো কথা। সেজন্যই আমাদের নিজের দেশের ভিতরে বাজার বাড়াতেই হবে।’তিনি বলেন, ‘যে পোশাকটা আমেরিকায় এক হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হয়, সেটা বানাতে হয়ত একশ টাকা লাগে। এখন সামান্য লাভ রেখে তা দেশে বিক্রির ব্যবস্থা করুক উৎপাদনকারীরা। তাতে তাদের লাভের পরিমাণ হয়তো কম হবে, কিন্তু পণ্য বিক্রি হয়ে যাবে এবং এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত শ্রমিকরাও বাঁচবেন।’

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সৌদি প্রবাসীর লাশ দাফন
খাগড়াছড়ি পানছড়ি দুর্গম পাহাড়ে চিকিৎসায় সেবা প্রদান করে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)
কর্ণফুলী ড্রাই ডককে আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের আশ্বাস তিন প্রতিমন্ত্রীর
ফরিদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, হত্যার অভিযোগে আদালতে মামলা – ন্যায় বিচারের দাবি
কঠোর নজরদারিতে চট্টগ্রাম বন্দরে দস্যুতা শূন্যে, ফিরছে আন্তর্জাতিক আস্থা
ফরিদপুরে ইতালি পাঠানোর নামে প্রতারণা, আদালতের মামলায় নারী গ্রেফতার 
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করে বিপুল পরিমান ইয়াবা,১টি মোটরসাইকেলসহ এক চোরাকারবারী বিজিবির হাতে আটক।
লবণের দামে দুশ্চিন্তায় চট্টগ্রামের চামড়া আড়তদাররা

You cannot copy content of this page