১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
চট্টগ্রাম-১০ আসনে দাঁড়ি পাল্লার সমর্থনে স্বতঃস্ফূর্ত মহিলা মিছিল অন্য দলকে ভোট দিলে ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে ছারখার করে দিব: হাসনাতের প্রতিদ্বন্দী বিএনপির নেতা মঞ্জু মুন্সি। সাতকানিয়ায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় যৌথবাহিনীর প্রতীকী মহড়া চট্টগ্রাম-৯ আসনে দাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হকের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা বাঁশখালীতে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে বিশাল জনসভা কর্নেল অলি পটুয়াখালী শহীদ মিনারে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর শেষ নির্বাচনী বার্তা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। নির্বাচনে ব্লেইম গেম বা নাটকের সুযোগ নেই -চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।  আমি আপনাদের সন্তান নির্বাচনী প্রচারণা শাহজাহান চৌধুরী  চট্টগ্রাম বন্দরে কার্যক্রম শুরু, ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট স্থগিত
আন্তর্জাতিক:
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য >> চট্টগ্রাম >> চট্টগ্রাম >> জাতীয় >> দেশজুড়ে
  • চট্টগ্রামে রেলের মেরামত কারখানায় দুদক, নিলাম ছাড়াই স্ক্র্যাপ মজুদ
  • চট্টগ্রামে রেলের মেরামত কারখানায় দুদক, নিলাম ছাড়াই স্ক্র্যাপ মজুদ

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন
    চট্টগ্রামে রেলের মেরামত কারখানায় দুদক, নিলাম ছাড়াই স্ক্র্যাপ মজুদ

    আব্দুল্লাহ আল মারুফ নিজস্ব প্রতিবেদক।। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর ক্যারেজ ওয়াগন মেরামত কারখানায় অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এতে ধরা পড়েছে দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ লোহাজাত স্ক্র্যাপ অনুমোদিত প্রক্রিয়া ছাড়া মজুদ এবং চুরির কারবার।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে দুদকের উপ-পরিচালক মো. ইমরানের নেতৃত্বে সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।

    দুদক সূত্র জানায়, সম্প্রতি চট্টগ্রাম প্রতিদিনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, কারখানার ভেতরে বছরের পর বছর স্ক্র্যাপ ও মালামাল জমিয়ে রাখা হচ্ছে নিলাম প্রক্রিয়া ছাড়া। যা চুরি ও পাচারের সুযোগ তৈরি করছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়।

    অভিযানে দুদক কর্মকর্তারা দেখতে পান, কারখানার ভেতরে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা বিপুল লোহাজাত স্ক্র্যাপ নিলাম বা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিক্রি না করে মজুদ রাখা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে স্ক্র্যাপ আত্মসাৎ ও গোপনে পাচার করছে।

    এ সময় দুদক কর্মকর্তারা বিভিন্ন নথি ও প্রমাণ জব্দ করেন এবং কারখানার দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা নেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কারখানার কয়েকজন কর্মকর্তা দীর্ঘদিনের এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।

    দুদক কর্মকর্তারা জানান, অভিযানে প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন বিস্তারিত তদন্ত শুরু হবে। তদন্তে দায়ীদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page