সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাঁপাশা মিলন বাজারে দুই ছাত্রদের মারামারি ঘটনাটি সালিশে নিস্পত্তির বিষয়টি মেনে নিতে না পেরেই পূর্ববিরোধেরে জেরে টংগর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে তার লোকজন আগ্নেয়ান্ত্র বন্দুক ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পাশবর্তী তারাপাশা গ্রামের আব্দুল তাহিত মিয়ার তারাঁপাশা মিলনবাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ভাংচুর ও লুটপাঠের ঘটনা ঘটে। এ সময় ইসমাইল মিয়া ও তার লোকজন আগ্নেয়ান্ত্র দিয়ে ৪ রাউন্ড গুলি বর্ষণ করেন এবং লৃটপাঠ চালিয়ে দেড়লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছেন বলে দোকান মালিক জানান।সোমবার সকাল ১১টায় টংগর গ্রামের ইসমাইল মিয়ার নেতৃত্বে তার লোকজন আগ্নেয়ান্ত্র ও দেশীয় দাড়াঁলো অস্ত্র নিয়ে তারাঁপাশা মিলন বাজারে আব্দুল তাহিত মিয়ার দোকানে হামলা ভাংচুর ও লুটপাঠ চালায়,এতে প্রায় দুইলাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। খবর পেয়ে দিরাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে এবং বন্দুকের গুলি উদ্ধার করে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,তারাঁপাশা গ্রামের পায় একমাস পূর্বে তারাঁপাশা গ্রামের সাদির মিয়ার ছেলে আলহাজ্ব আব্দুল মতলিব উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাইফ মিয়ার সাথে টংগর গ্রামের ইব্রাহিমের ছেলে একই স্কুলের ছাত্রের পূর্ববিরোধের জেরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ইব্রাহিম,তার ছেলে ও স্বজনরা মিলে দশম শ্রেণীর শিক্ষাথী সাইফ মিয়াকে স্কুলের ভেতরে ব্যাপক মারধোর করে রক্তাক্ত করেন। এই ঘটনার কয়েকদিন পর সাত গ্রামের মানুষের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক বসলেও টংগর গ্রামের প্রতিপক্ষ হামলাকারী ইসমাইল ও তার লোকজন সালিশ না মেনে চলে যান। তারপরেও সালিশ বৈঠকে সাত গ্রামের মানুষজন বিষয়টি তাহিত মিয়ার মাধ্যমে নিস্পত্তি করে দেন বলে জানান হামলার শিকার আব্দুল তাহিত মিয়া। এই ঘটনার জেরেই সোমবার সকালে হামলাকারী ইসমাইল খানের লোকজন দুনালা বন্দুক ও দেশীয় দাড়াঁলো অস্ত্র নিয়ে আব্দুল তাহিত মিয়ার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক হামলা,ভাংচুর ও লুটপাঠের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে তাৎক্ষনিক আহতদের খবর পাওয়া যায়নি।এ ব্যাপারে হামলাকারী ইসমাইল জানান,তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করে বিষয়টি অস্বীকার করেন।এ ব্যাপারে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





মন্তব্য