অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। ডারউইনে স্বাগতিকদের দেয়া মাত্র ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করেছে টাইগাররা। জয়ের পথে শুরুতে তানজিদ হাসান তামিম কোনো রান না করেই সাজঘরে ফিরলেও, মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলামের অবিচ্ছিন্ন জুটি দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শ্রীলঙ্কা কখনোই টেস্ট জিততে পারেনি, আর পাকিস্তান সর্বশেষ জয় পেয়েছিল ১৯৯৫ সালে।
ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২০১৯ সালে কুলদীপ যাদবের পর প্রথম সফরকারী স্পিনার হিসেবে তিনি অজিদের মাটিতে ৫ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব দেখান। স্বাগতিকরা তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট হয়। আগের ইনিংসে ৬ উইকেট নেয়া হাসান মাহমুদ দ্বিতীয় ইনিংসে আরও ৩ উইকেট নেন। এর আগে ক্যামেরন গ্রিন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১০৪ রানের একটি সেঞ্চুরি হাঁকান।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায়। হাসান মাহমুদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ৬ উইকেট শিকার করেন এই পেসার, এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন নেন ২টি করে উইকেট। অজিদের হয়ে স্টিভেন স্মিথ সর্বোচ্চ ৭১ রান করলেও দলের আর কোনো ব্যাটার ২৫ রানের গণ্ডি পার হতে পারেননি। জবাবে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান সংগ্রহ করে ২২৮ রানের বিশাল লিড পায়। তানজিদ হাসান তামিম ১০১ রানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেন, এছাড়া অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত ৮৪, মিরাজ ৬৫ ও মুমিনুল ৪৯ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার জশ হ্যাজেলউড ৬ উইকেট নেন।
দুই ইনিংসে মোট ৯ উইকেট শিকার করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন হাসান মাহমুদ। তার বোলিং তোপ এবং ব্যাটারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ডারউইনে এক ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ।
৮৪ রান আসে অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্তর ব্যাট থেকে।
সূত্র: মানবজমিন


মন্তব্য