ঢাকায় প্রথম টেস্ট হেরে যাওয়ার পর চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে নেন ১৩ উইকেট, ম্যাচসেরার পুরস্কারসহ সিরিজ সমতায় ফেরান অস্ট্রেলিয়াকে।
এশিয়ার মাটিতে কোনো সফরকারী বোলারের এক টেস্টে ১৩ উইকেট নেওয়ার কীর্তি তখন ছিল ইয়ান বোথামের পর দ্বিতীয়।
২২ বছর পর টেস্ট ক্রিকেট ফিরছে ডারউইনে।
মাঠে দাঁড়িয়ে বলটা যখন ছাড়লেন নাথান লায়ন, ট্র্যাভিস হেড ব্যাট চালিয়ে ফেললেন—কিন্তু হেডকে বিভ্রান্ত করে বলটা তাঁর ব্যাটের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল।
ডারউইনে সোমবার সকালে সাংবাদিকদের হাসতে হাসতে হেড বললেন, বলটা ‘মোটামুটি ভালোই’ ছিল।
ফক্স স্পোর্টসকে হেডের মজা করে বলা কথাটাই বার্তা দিল, প্রায় আট মাস পর মাঠে ফেরার জন্য প্রস্তুত লায়ন।
সেই ফেরাটা হচ্ছে তিন দিন পর শুরু বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্ট দিয়েই।
গত ডিসেম্বরে অ্যাডিলেডে অ্যাশেজ নিশ্চিত করা জয়ের ম্যাচে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ছিটকে যান লায়ন।
ব্রিসবেনে গত সপ্তাহের ম্যাচ সিমুলেশনে অবশ্য নিজের প্রস্তুতির প্রমাণ রেখেছেন তিনি আর সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই এখন দলে ফেরার অপেক্ষায়।
হেডের ভাষায়, চোট থেকে সেরে ওঠা লায়ন মাঠে নামতে দলের যে কারও চেয়ে বেশি মুখিয়ে আছেন।
প্রথম টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়ার কোচিং স্টাফ ও সতীর্থদের কাছ থেকে যে বার্তা আসছে, তাতে স্পষ্ট-লায়নকে নিয়ে কোনো সংশয় নেই।
বাংলাদেশ যখন প্রতিপক্ষ, লায়নের মনে পড়তে পারে অতীতের কিছু সুখস্মৃতি।
উত্তর অস্ট্রেলিয়ার শুকনা শীতের আবহাওয়ায় তৈরি এই উইকেটের শুরুর দিকে কিছুটা সমান বাউন্স মিললেও শুকনা আবহাওয়ায় উইকেটে দ্রুত ফাটল ধরতে পারে।
সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার কেন রিচার্ডসনের পর্যবেক্ষণও একই—গ্যাবা বা ওয়াকার চেনা পেস-বাউন্সের বদলে এখানে মিলতে পারে উপমহাদেশীয় ধাঁচের নিচু, ধীর উইকেট।
সূত্র: প্রথম আলো


মন্তব্য