১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
কিশোরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশনের উদ্যোগে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত সখিপুরে তরুণীকে সঙ্গবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ সুনামগঞ্জের যাদুকাটা বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা উচ্চ আদালতের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় নোয়াখালীতে কিশোরী ধর্ষিত, প্রধান আসামি কালু গ্রেফতার ঢাকা মেডিকেলে চীনের সহযোগিতায় ১০০টি ছানি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন” সদরের দক্ষিণ ডিককুলে মাদকাসক্ত ছোট ভাইয়ের হামলায় বড় ভাই গুরুতর আহত আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিজিবি মোতায়েন সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিং প্রদান প্রসংগে রুহিয়ায় ভোটকেন্দ্র ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ইউএনও রাজশাহী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে: ইউএনও পবা মানসম্মত শিক্ষা ও সৎ মানুষ গঠনে অভিভাবক-শিক্ষক যৌথ প্রচেষ্টার আহ্বান
আন্তর্জাতিক:
নারীর নিরাপত্তায় পথ দেখাচ্ছে ‘সেইভ আওয়ার উইমেন’ সাতকানিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সংবাদ সম্মেলন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের সহায়তার দাবি এনসিপির নেপালে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শহীদুল ইসলাম বাবরকে ফুলেল শুভেচ্ছা সমাজসেবায় বিশেষ অবদান: স্বর্ণপদক ও সম্মাননা পেলেন নাহিদ উজ্জামান শিল্পী শিমলার মুকুটে নেপাল-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের অনন্য স্বীকৃতি জিয়া ও খালেদা জিয়ার নামে থাকা ৫৩৪টিসহ ৫ হাজার বিদ্যালয় জাতীয়করণের দীর্ঘ দাবি। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ফের ভাইরাল ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর সেই চ্যালেঞ্জ জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট; বাঙালির হৃদয়ে চির অমর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাদার তেরেসা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত শিল্পী শিমলা
     
             

তানোরে ব্যবসায়ীদের দখলে হিমাগার বিপাকে কৃষক

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

সোহেল রানা,তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধি >>> রাজশাহীর তানোরে আলুর দাম কম হওয়ায় চাষিরা ছুটছেন হিমাগারে পড়েছেন সিন্ডিকেটের খপ্পরে। তানোরে হঠাৎ করে দাম কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আলুচাষিরা। উপজেলার হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণের জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন তারা। তবে হিমাগার কর্তৃপক্ষের দাবি ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি আলু উৎপাদন হওয়ায় তারা চাহিদা অনুযায়ী আলু নিতে পারছে না। এদিকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের জন্য হিমাগারে সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে এবং সুবিধাভোগীরা চাষিদের কাছ থেকে অবৈধ অর্থ আদায় করছে ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, বস্তা প্রতি এক থেকে দেড়শ’ টাকা করে আর্থিক সুবিধা নিয়ে রাঁতের আঁধারে গোপনে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের আলু হিমাগারে নেয়া হচ্ছে। এতে বঞ্চিত হচ্ছে প্রকৃত আলু চাষি কৃষকেরা।এদিকে তানোরে হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণের জন্য দীর্ঘ লাইন ধরে যানবাহন দাঁড়িয়ে রয়েছে। রাস্তার পাশে এবং হিমাগারের সামনে খোলা আকাশের নিচে শত শত বস্তা আলু রেখে চাষিরা কয়েক দিন ধরে অপেক্ষা করছেন। একদিকে আলুর ভালো দাম না পেয়ে হতাশ কৃষকরা, অন্যদিকে হিমাগারে আলু সংরক্ষণ নিয়েও নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাদের। মধ্যস্বত্ত্বভোগী ফড়িয়া ও মৌসুমি ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে হিমাগার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক আলু চাষি বলেন, বিগত ফ্যাসিট আওয়ানী সরকারের নিল নকশা (কৃষকদের আলু চাষে নিরুৎ সাহিত) বাস্তবায়ন করতে এসব করা হচ্ছে।কৃষকদের অভিযোগ এখন অধিকাংশ হিমাগারে আলু রাখছেন ব্যবসায়ীরা। আলু সংরক্ষণের কার্ড (অনুমতিপত্র) চাহিদামতো পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ কৃষকদের। আবার অধিকাংশক্ষেত্রে কার্ড পাওয়ার পরও হিমাগার গেটে আলু নিয়ে কৃষকদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দিনের পর দিন। অথচ ব্যবসায়ীদের ট্রাক ট্রাক আলু ঢোকানো হচ্ছে হিমাগারগুলোতে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রান্তিক কৃষকের আলু কম মুল্যে কিনতে একশ্রেণীর হিমাগার মালিকের যোগ-সাজশে মধ্যস্বত্বভোগী ফড়িয়ারা সিন্ডিকেট করেছে। যেকারণে হিমাগারে জায়গা থাকার পরেও তারা জায়গা নাই বলে প্রান্তিক কৃষকের আলু নিচ্ছেন না। এটা কিছু না কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আর হিমাগার মালিক আলুর দাম কমানোর জন্য সিন্ডিকেট করছে। এতে প্রান্তিক কৃষকেরা আলু নিয়ে দিনের পর দিন অপেক্ষা করে হিমাগারে রাখতে না পেরে পানির দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তানোর চলতি মৌসুমে আলু চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার ১১৫ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছে ১৩ হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ২৮ হাজার ৩২০ মেট্রিক টন।স্থানীয় আলু চাষিদের ভাষ্য, তানোরে ৭টি হিমাগার রয়েছে। এসব হিমাগারের ধারণ ক্ষমতা প্রায় ২৮ লাখ ব্যাগ।একেকটি হিমাগারের ধারণ ক্ষমতা ৪ থেকে ৮ লাখ ব্যাগ। অথচ ৩ লাখ ব্যাগ আলু উৎপাদনে প্রায় এ হাজার বিঘা জমির প্রয়োজন। তানোরে যে পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়েছে, তার সঙ্গে এই হিসেব যোগ বিয়োগ করলে হিমাগারে আরো জায়গা থাকার কথা। কিনত্ত প্রায় এক সপ্তাহ আগে থেকে বলা হচ্ছে হিমাগারে কোনো জায়গা নাই। অথচ সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী ৬০ শতাংশ কৃষক এবং ৪০ শতাংশ ব্যবসায়ীদের আলু হিমাগারে সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্‌ত্ত সিংহভাগ কৃষক তাদের উৎপাদিত আলু এখানো হিমাগারে রাখতে পারেনি। তাহলে কার আলুতে হিমাগার ভরা হলো তা নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কৃষকেরা কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে দাবি করেছেন বিষয়টি অধিকতর তদন্তের।এবিষয়ে রাজশাহী হিমাগার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, হিমাগারের ভাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে বাড়ানো হয়েছে। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, হিমাগারে বুকিং শুরু হয় আবাদ শুরুর অনেক আগে। অনেক ক্ষেত্রে এক বছর আগেই বুকিং হয়ে যায়। এখানে সিন্ডিকেটের কিছু নেই।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page