নিজস্ব প্রতিবেদক>>> বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিকসহ সকল শহীদদের স্মরণে ১৩ আগস্ট বিকেলে রুর্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর উদ্যোগে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে মিলাদ, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।আরজেএফ চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মোঃ সেকেন্দার আলম শেখ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এস আর ক্রীড়া সংঘের সভাপতি এডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু।প্রধান আলোচক ছিলেন সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন এশিয়ান জার্নালিস্ট সোসাইটির সভাপতি জাকির হোসেন, জন পার্টির চেয়ারম্যান হৃদয় চৌধুরী,বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা।বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সিনিয়র সদস্য লেখক ও কলামিস্ট মোঃ মতিউর রহমান সরদার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট খান চমন-ই-এলাহী,আরজেএফ’র যুগ্ম মহাসচিব লুৎফুন নাহার রিক্তা, অর্থ সচিব মোঃ ফারুকুল ইসলাম,সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাহিদুল ইসলাম, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মাসুদ আলম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক নাহিদা আক্তার পপি,লাইব্রেরী বিষয়ক সম্পাদক আবুল কাশেম টিটু।দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আরজেএফ’র ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুফতি শেখ আজীমউদ্দীন আহমেদ।বক্তারা বলেন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তারা অবশ্যই বাংলাদেশের ইতিহাসে জাতীয় বীর হিসেবে খেতাবপ্রাপ্ত হবেন।কোন দাবিকে কেন্দ্র করে এ ধরণের রক্তাক্ত ইতিহাস আর যেন না ঘটে সেই প্রত্যাশা করেন বক্তারা।তারা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে এই নৃশংস গণহত্যার বিচার দাবি করেন।আরজেএফ নেতৃবৃন্দ নিহত সাংবাদিক ও ছাত্র-জনতাকে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ক্ষতিপূরণ ও তাদের পরিবারকে পুনর্বাসন এবং সরকারি চাকুরী প্রদানের জন্য দাবি জানান।সকল আহতদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা করতে হবে এবং তাদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


মন্তব্য