১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
ইরানি পাইলটদের আটক রাখার দাবি ভিত্তিহীন, জানাল কাতার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কারিগরি ত্রুটির কবলে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট: নিরাপদে ফিরল সিঙ্গাপুরে রাঙামাটিতে পিকআপ ভ্যান উল্টে তিনজনের মৃত্যু, আহত তিন ঢাকার ১১০ কিলোমিটার নৌপথে বৈদ্যুতিক ওয়াটার বাস চালুর পরিকল্পনা সরকারের তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাস: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির হিসাব ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার পারফরম্যান্স নিয়ে কামিন্স ও নির্বাচকদের তোপ দাগলেন পন্টিং দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসির বিরুদ্ধে বেপরোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ ৯০০ কর্মীকে জুম কলে ছাঁটাই করা সেই সিইও বিশাল গার্গ নিজেই বরখাস্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলিঙ্গন কূটনীতি নিয়ে রাহুল-বিজেপি বিতর্ক: ইন্দিরা গান্ধীকে টেনে আনলেন নিশিকান্ত
আন্তর্জাতিক:
ইরানি পাইলটদের আটক রাখার দাবি ভিত্তিহীন, জানাল কাতার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কারিগরি ত্রুটির কবলে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট: নিরাপদে ফিরল সিঙ্গাপুরে ৯০০ কর্মীকে জুম কলে ছাঁটাই করা সেই সিইও বিশাল গার্গ নিজেই বরখাস্ত আলিঙ্গন কূটনীতি নিয়ে রাহুল-বিজেপি বিতর্ক: ইন্দিরা গান্ধীকে টেনে আনলেন নিশিকান্ত ইরানি পাইলটদের আটকের দাবি প্রত্যাখ্যান কাতারের, অভিযোগকে ‘বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তেজনা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের আহ্বান গত দুই দশকে ১৬টি আন্তর্জাতিক রুট বন্ধ করল ক্যাথে প্যাসিফিক ফ্লোরিডায় রাশিদা তালিবের নির্বাচনী সমাবেশ বাতিল, নেপথ্যে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক জেসন আরডের প্রয়াণ: বিতর্ক ও শোকের ছায়া হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের, কঠোর হুঁশিয়ারি তেহরানের
     
             

কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে ৭ লাখ ইয়াবা উদ্ধার,বহনকৃত গাড়ি জব্দ গ্রেফতার ৪

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন
নিউজ ডেস্ক >>> কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে একটি বিলাসবহুল প্রাইভেট কার হতে ৭ লাখ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।এ সময় মিয়ানমার থেকে মাদক চোরা কারবারের অন্যতম গডফাদার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।সোমবার (২০ মে) রাত ২.৩০ ঘটিকার সময়,উখিয়া থানাধীন চেংছড়ি পাটুয়ারটেক বিচ এলাকার মেরিন ড্রাইভ সড়কে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় ৷গ্রেফতারকৃত রা হলেন -আব্দুল আমিন (৪০)কক্সবাজার টেকনাফ উপজেলার ডেইল পাড়া, ৬নং ওয়ার্ড এলাকার-হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে ৷মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (৩৫), একই ইউনিয়নের গোদার বিল, ৬নং ওয়ার্ড এলাকার-আবু সৈয়দ’র পুত্র৷
নুরুল আবসার (২৮) একই গ্রামের-মৃত মোহাম্মদ কাশেমের পুত্র৷জাফর আলম (২৬) একই উপজেলার ডেইল পাড়া, ৫নং ওয়ার্ড-মৃত দীল মোহাম্মদের পুত্র ৷ কক্সবাজার র‍্যাব -১৫  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া)
মোঃ আবু সালাম চৌধুরী,আজ দুপুর ২ টার দিকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান৷র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে, মেরিন ড্রাইভ রোড হয়ে কুখ্যাত মাদক কারবারী আব্দুল আমিন তার মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যসহ মাদকের একটি বিশাল চালান নিয়ে একটি বিলাস বহুল প্রাইভেটকারযোগে টেকনাফ থেকে কক্সবাজার শহরের দিকে আসছে। উক্ত তথ্যের অদ্য রাত ০২.১০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পাটুয়ারটেক চেংছড়ি মেরিন ড্রাইভ রোডে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে মাদক উদ্ধারের একটি বিশেষ তল্লাশী অভিযান শুরু করে। তল্লাশী চলাকালীন সময়ে টেকনাফ থেকে আগত কক্সবাজারগামী একটি কালো রং এর একটি বিলাস বহুল প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দিলে তা অমান্য করে দ্রæত গতিতে চলে যাওয়ার চেষ্টাকালে র‌্যাবের আভিযানিক দল প্রাইভেটকারটি থামাতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে প্রাইভেটকারে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ ও গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় গাড়িটি উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে তল্লাশী করে গাড়ির পিছনে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থা থেকে সর্বমোট ৭,০০,০০০ (সাত লক্ষ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়। এ সময় উক্ত মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ইয়াবা সম্রাট আব্দুল আমিন’সহ মাদক সিন্ডিকেটের চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
 প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আব্দুল আমিন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী, ইয়াবা সম্রাট ও মাদক সিন্ডিকেটটির অন্যতম সদস্য। সে প্রথমে মুদির ব্যবসা এবং বিভিন্ন গরুর হাটের ইজারাদারি করতো। পরবর্তীতে সে পলিথিন ও কার্পেট ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত হয়। এসব ব্যবসায়ের আড়ালে ইয়াবার ব্যবসায়ের সাথে জড়িয়ে পড়ে। সে আরও জানায় যে, বার্মাইয়া সিরাজের ইয়াবার বিশাল সব চালান সমুদ্রপথে মাছ ধরার ট্রলারযোগে আব্দুল আমিনের নিকট পৌঁছাতো। এ সকল ইয়াবার চালান দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে এসে কয়েক দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে মজুদ করতো। পরবর্তীতে মজুদকৃত মাদকের চালান স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার নির্ধারিত এজেন্টদের নিকট সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করে থাকে। অদ্য র‌্যাব কর্তৃক উদ্ধারকৃত ইয়াবার চালানটি কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার এজেন্টদের চাহিদা মোতাবেক পৌঁছে দেয়ার জন্য প্রাইভেটকারযোগে টেকনাফ থেকে মেরিন ড্রাইভ হয়ে কক্সবাজার শহরের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিল মর্মে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদকসহ ১১টির অধিক মামলা রয়েছে।গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, আব্দুল আমিনের ভাগ্নে। সে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী দেশ হতে গরু চোরাচালানের জড়িত এবং ক্রমান্বয়ে এটিকে পারিবারিক ব্যবসায়ে রূপান্তর করেছে বলে স্বীকার করে। এছাড়াও ইয়াবার ব্যবসা লাভজনক হওয়ায় গরুর ব্যবসা করাকালীন সময়ে আব্দুল আমিনের সাথে ইয়াবা ব্যবসায়ে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে এ সংক্রান্তে বার্মাইয়া সিরাজের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং গরু ব্যবসায়ের অন্তরালে সিন্ডিকেটটি মাদকের রমরমা ব্যবসা শুরু করে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০২টি মামলা সংক্রান্তে তথ্য পাওয়া যায়৷গ্রেফতারকৃত আব্দুল আমিন সম্পর্কে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ’র মামা। প্রথমে সে মুদির ব্যবসা এবং বিভিন্ন গরুর হাটের ইজারাদারি করতো। পরবর্তীতে সে পলিথিন ও কার্পেট ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত হয়। এসব ব্যবসায়ের আড়ালে ইয়াবার ব্যবসায়ের সাথে জড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আবদুল্লাহ ও আব্দুল কাদেরের সাথে সিন্ডিকেট স্থাপন করে মাদক পরিবহন, মজুতকরণ ও সরবরাহ কাজে সম্পৃক্ত ছিল। তার বিরুদ্ধে ১০টির অধিক মাদক মামলা রয়েছে।গ্রেফতারকৃত নুরুল আবসার সম্পর্কে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ’র ভগ্নিপতি এবং মাদক কারবারীর অন্যতম সহযোগী। গ্রেফতারকৃত আব্দুল আমিন ও আবদুল্লাহ’র নির্দেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইয়াবার বড় বড় চালান সরবরাহ, অর্থ সংগ্রহ ও মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করতো। তার বিরুদ্ধে মাদকের সংক্রান্ত একটি মামলা রয়েছে। 
গ্রেফতারকৃত অপর আসামী জাফর আলম মূলত আব্দুল আমিন ও আবদুল্লাহ সিন্ডিকেটের তথ্য সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করতো। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাদক সরবরাহ এবং মাদক পরিবহনের বিভিন্ন পয়েন্টে গোপনে অবস্থান করে প্রশাসনের গতিবিধির খবরাখবর সে গ্রেফতারকৃত আব্দুল আমিন ও আবদুল্লাহ নিকট পৌঁছে দিতো। গ্রেফতারকৃত জাফর আলমের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের টেকনাফ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ০২টি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়। 
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন হয়েছে বলে জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page