নিউজ ডেস্ক>>> চট্টগ্রাম ফিরিঙ্গিবাজারে সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ ইংরেজি তারিখে বিকেল ৩ ঘটিকার সময়, পবিত্র রমজান মাসে তরমুজের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন।নিয়মিত বাজার মনিটরিং এর অংশ হিসেবে আজ নগরের কোতয়ালী থানাধীন ফিরিঙ্গিবাজার এ তরমুজের পাইকারি আড়তগুলোতে তরমুজের ক্রয় বিক্রয় রশিদ,মূল্যতালিকা ও রেজিস্টার খতিয়ে দেখা হয়।এসময় উপস্থিত কৃষক এবং আড়ত মালিকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী হিসাব করে দেখা হয় গড়ে প্রতি ১০০ তরমুজ এর উৎপাদন খরচ ১০ হাজার টাকার কাছাকাছি।সেখানে উৎপাদন পর্যায়েই তরমুজগুলো গড়ে ১৫ হাজার এবং পাইকারি পর্যায়ে ২০ হাজার টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে অর্থাৎ প্রতিটি তরমুজের উৎপাদন খরচ ১০০ টাকা হলেও সেগুলো আড়তে ২০০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।সর্বোচ্চ ৩৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর তথ্য মতে তরমুজপ্রতি (৫-৭ কেজি) উৎপাদন খরচ প্রায় ৩৫-৪০ টাকা।কৃষক সাধারণত বিক্রি করছেন ৮৫-১০০ টাকা।এর সাথে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়ে সর্বোচ্চ দাম হতে পারে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা।কৃষি বিপণন আইন ২০১৮ অনুযায়ী যেকোনো ফলে উৎপাদন পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ২০ শতাংশ লাভের বিধান রয়েছে।এ অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির জন্য তাদেরকে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয় এবং ক্রয় বিক্রয় রশিদ যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় ইসলাম ট্রেডার্সকে ৫ হাজার এবং মদিনা ফার্মকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম এর জেলা প্রশাসক জনাব আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ” বাজারে আমাদের কঠোর নজরদারি অব্যাহত আছে।চিনি,চাল, এলাচ,সেমাই,খেজুর,তরমুজসহ বিভিন্ন পণ্যের পাইকারি বাজারে ইতোমধ্যে অভিযান চালানো হয়েছে।ভেজালবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে।আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটগণ নিয়মিত বাজার তদারকি করছেন।কোন ভাবেই বাজারকে অস্থিতিশীল করা যাবে না।” জেলা প্রশাসন এর পক্ষে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব প্রতীক দত্ত, সহকারী কৃষি বিপণন কর্মকর্তা জনাব আবু বকর এবং কোতোয়ালি থানা পুলিশ এর একটি দল।
মন্তব্য