৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
মার্সেলো বিয়েলসার বিদায়ের পর উরুগুয়ের নতুন কোচ দিয়েগো ফোরলান ফুটবলের পর ক্রিকেটেও বিশ্বরেকর্ড স্পেনের: টানা ২২ ম্যাচে অপরাজিত থাকার অনন্য কীর্তি ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করল নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় ব্যর্থতা: মেটাকে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার জরিমানা মক্কায় ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় কাতারের অংশগ্রহণ চা শ্রমিক ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরির দাবি নিয়ে মানববন্ধন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রশাসনের দ্বিতীয় গেটে ঝুঁকিপূর্ণ দুটি গাছ, দ্রুত অপসারণের দাবি রেকর্ড গড়ে ইন্টার মায়ামিকে জেতালেন মেসি: সান লুইসের বিপক্ষে জোড়া গোল ও অ্যাসিস্ট গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র টেকসই হবে: মির্জা ফখরুল গালি ও বিদ্রূপে ভ্যান্সের ‘ট্রল’ রাজনীতি: রাজনৈতিক শিষ্টাচারের নতুন সংকট
আন্তর্জাতিক:
শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় ব্যর্থতা: মেটাকে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার জরিমানা মক্কায় ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় কাতারের অংশগ্রহণ ট্রাম্পের নাটকীয় কূটনীতি ব্যর্থ কৌশল, অভিযোগ ইরানের স্পিকার গালিবাফের পাঁচ বছরে নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফরে ব্যয় ৫৫৭ কোটি রুপি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দ্রুতই শেষ হবে, আশাবাদী ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের তিন রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালু করল কাতার এয়ারওয়েজ দিল্লির ডিব্রিফিং থেকে সরে গেলেন অজিত ডোভাল: হাসিনার গুরুত্ব কি কমছে? ইয়েমেনে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: সরকারি বাহিনীর ৩০ সেনা নিহত ৩০৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ কলেজ অধ্যাপক ১৮ বছর বয়সি নাথান থমাস সহকর্মীকে হেনস্তার মামলায় তেহেলকার সাবেক সম্পাদক তরুণ তেজপালের ১০ বছরের কারাদণ্ড
     
             

ভোলার লালমোহনের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সূর্যমুখীর হাসি

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

রিপোর্ট আব্দুল্লাহ আল মারুফ>>> ভোলার লালমোহন উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে হাসছে সূর্যমুখী ফুল।এই সূর্যমুখীকে কেন্দ্র করে স্বপ্ন বুনছেন উপজেলার কৃষকরা।প্রতি বছরই এ উপজেলায় বৃদ্ধি পাচ্ছে সূর্যমুখীর আবাদ।গত বছরের চেয়েও এ বছরও বেড়েছে সূর্যমুখীর চাষ।চলতি বছর লালমোহন উপজেলার ১৭৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। যেখানে গত বছর এই উপজেলায় ১৬২ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছিল।চলতি বছর লালমোহনে কাবেরী,হাইসান-৩৩,আরডিএস-২৭৫ এবং বারি সূর্যমুখী-২সহ বেশ কয়েকটি জাতের সূর্যমুখীর চাষ করেছেন কৃষকরা।লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের পাঙাশিয়া গ্রামের চাষি মো. হারুন বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী এ বছর প্রথমবারের মতো ১৬০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছি।বর্তমানে ক্ষেতে ফসল অনেক ভালো দেখা যাচ্ছে।এ ফসল সংগ্রহ করা পর্যন্ত ৫০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকার মতো খরচ হবে।সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছর ক্ষেত থেকে লক্ষাধিক টাকার ফসল সংগ্রহ করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের প্যায়ারী মোহন গ্রামের চাষি পুরঞ্জিত চন্দ্র দাস বলেন,গত বছর একশত শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছি।ওই বছর ফলন ভালো হওয়ায় চলতি বছর দুইশত শতাংশ জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করেছি।এ বছর চাষাবাদে অন্তত ৬২ হাজার টাকার মতো খরচ হবে।তবে ক্ষেত থেকে এ বছর এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকার ফসল সংগ্রহ করতে পারবো।সূর্যমুখী চাষের পর থেকে নিজেদের রান্নায় এই তেলই ব্যবহার করছি।পারিবারিক চাহিদার পর অতিরিক্ত থাকা তেল বাজারে বিক্রি করি।উপজেলা কৃষি অফিস বলছে,এসব সূর্যমুখী চাষিদের কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। তবে চাষে কৃষকদের নিজস্ব খরচ রয়েছে- জমি প্রস্তুত,সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিকদের মজুরি।এ উপজেলার চাষিরা আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে তাদের ফসল সংগ্রহ করতে পারবেন।চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি সূর্যমুখীর চাষ করেছেন পশ্চিম চরউমেদ,লর্ডহার্ডিঞ্জ ও লালমোহন ইউনিয়নের কৃষকরা।এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু হাসনাইন বলেন,কৃষি অফিসের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে এবং তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা সূর্যমুখী চাষের দিকে ঝুঁকছেন।প্রতি বছরই লালমোহনে সূর্যমুখীর আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।কৃষকদের ক্ষেতে ফলনও ভালো দেখা যাচ্ছে। আমাদের কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।আবহাওয়া ভালো থাকলে চাষিরা ভালো ফলন পাওয়ার পাশাপাশি তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পেয়ে অধিক লাভবান হবেন বলে আশা করছি।এ কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন,সূর্যমুখী তেলের পুষ্টিগুণ যেমন বেশি তেমনি অন্যান্য তেলের তুলনায় এটি অধিক স্বাস্থ্যসস্মত। অধিক হারে এর চাষ বৃদ্ধি করা গেলে পুষ্টি চাহিদা অনেকাংশে পূরণ হবে এবং ভোজ্য তেলের জন্য বিদেশ নির্ভরতা কমে যাবে ।এছাড়া আগামীতে কেউ যদি নতুন করে সূর্যমুখী চাষে আগ্রহী হয় তাহলে আমরা সব সময় তাদের পাশে থাকবো।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page