জামাল হোসেনপাবনা জেলা প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহরে সোনালী আঁশ পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। উপজেলায় সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের আবাদ বেড়েছে। এক সময়ের বিশ্বব্যাপী সমাদৃত সোনালী আঁশ পাটের গৌরবময় অতীত হারিয়ে গেলেও নতুন করে আবার পাটের অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক বছর ধরে পাটের দাম ভালো পাওয়ায় পাট চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন পাট চাষিরা। ফলে ব্যাপক হারে এবছরেও পাট চাষ করেছেন তাঁরা।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকের মাঠে মাঠে চোখ জুড়ানো সবুজের সমারোহ। সবুজ পাতার সাথে দোল খাচ্ছে মাঠের পর মাঠ কৃষকের সোনালী আঁশ পাট।পাটের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার পাট চাষে ঝুঁকেছে কৃষক। গত কয়েক বছর যাবত পাটের দাম পাওয়ায় কৃষক পাট চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। অনেক কৃষকই বলছেন পাট চাষীদের সুদিন ফিরেছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে চাটমোহর উপজেলায় ৮ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে পাট চষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করে। কিন্তু আবাদ হয়েছে ৮ হাজার ৯৪০ হেক্টর জমিতে।উপজেলার আড়িংগাইল গ্রামের কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, চলতি মৌসুমে চার বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন তিনি। কাঙ্খিত বৃষ্টি না হওয়ায় এখনো কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। ধুলাউড়ীর কৃষক জমিন জানালেন, এক বিঘা জমিতে পাট চাষে প্রায় ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। পাট উৎপাদন হয় প্রায় ৮ মন। যার বাজারদর সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা। এছাড়া বিঘা প্রতি প্রায় ২ হাজার টাকার পাটকাঠি পাওয়া যায়। গত বছর ভরা মৌসুমে প্রতি মণ পাট ২ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও ক্রমশই পাটের দাম বাড়তে থাকে। সর্বশেষ ৬ হাজার টাকা মণ পাট বিক্রি হয়েছে। ফলে যারা পাট ভরা মৌসুমে বিক্রি না করে রেখে দিয়েছিলেন তারা বিঘা প্রতি প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভোবান হয়েছেন
মন্তব্য