১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
পটিয়ায় শিশু হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে থানায় বিক্ষোভ মিছিল। পীরগঞ্জে জাতীয় ফল মেলা উদ্বোধন। ফলের স্বাদ ও গুণগত মান রক্ষায় জোর চট্টগ্রামের ডিসির পটিয়ায় সম্পত্তির লোভে ২স্ত্রীর হাতে স্বামী খুনের অভিযোগ। উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব-স্কাউট শিক্ষক নির্বাচিত কেইপিজেড শিল্প ও প্রকৃতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন প্রযুক্তির সহায়তায় উদ্ধারকৃত ১০১ টি মোবাইল মালিকদের হাতে তুলে দিল চট্টগ্রামের এসপি মাসুদ ইয়াবা গায়েবের অভিযোগে কোতোয়ালি থানার ওসি আফতাব প্রত্যাহার টেকনাফ বাহারছড়া সড়ক আছে সেতু নাই! বিকল্প পথে স্থানীয়দের যাতায়ত, দেখার কেউ নেই আমানত ফেরত চান ৫ ব্যাংকের ৭৫ লাখ গ্রাহক চট্টগ্রামে বিক্ষোভ
আন্তর্জাতিক:
হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন মেসি কুরাসাওকে হারিয়ে ৭-১ গোলের স্মৃতি ফিরিয়ে আনল জার্মানি মিলান বাংলা প্রেসক্লাব ইতালির আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত। মার্কিন বিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান
     
             

ধ্বংসের মুখে ব্যাংক খাত, ঊত্তরণে স্বচ্ছ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

জেমস রানা বিশ্বাস উপজেলা প্রতিনিধি,সাভার ঢাকা>>> কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগের পরেও ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি দিনকে দিন অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। কয়েকদিন আগে প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক স্থিতিশীলতা মূল্যায়ন প্রতিবেদনে জানা যায়-ব্যাংক খাতে গত জুনের তুলনায় সেপ্টেম্বরে ঝুঁকির মাত্রা আরও বেড়েছে।প্রতিবেদনে জানা যায় আরও জানা যায়,এই কয়মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ, সুদহার,বিনিময় হারজনিত ঝুঁকিতে থাকা ব্যাংকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।একইসঙ্গে ব্যাংকগুলোর সার্বিক মূলধন কমেছে।তবে ঋণের স্থিতি বাড়ায় ব্যাংকগুলোর সম্পদ বেড়েছে আর খেলাপি ঋণ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে।এখন মোট খেলাপি ঋণের ৪৫ শতাংশের বেশি রয়েছে শীর্ষ পাঁচ ব্যাংকের কাছে।প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়,গত জুনে যেখানে চারটি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল,বর্তমানে পাঁচটিতে তা আরও বেড়েছে।এছাড়া গত জুনে সুদের হারজনিত কারণে একটি ব্যাংক ঝুঁকিতে থাকলেও সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দুটিতে দাঁড়িয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি তিন মাস পরপর এ প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও এবারের প্রতিবেদনটি গত বছরের জুন-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের, যা প্রায় ৭ মাস পর প্রকাশ করা হয়।বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ব্যাংকগুলো পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আনা অপরিহার্য।আগ্রাসী ব্যাংকিং বন্ধ করতে হবে।পরিচালকদের চাপ কমাতে হবে।গ্রাহকদের আস্থা ধরে রাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।খেলাপিদের কোনোভাবেই আর ছাড় দেওয়া যাবে না।যেকোনো দেশের ব্যাংক হচ্ছে সে দেশের অর্থনীতির প্রাণ। ব্যাংক দুর্বল হলে অর্থনীতিও ক্রমাগত দুর্বল হয়ে পড়বে। তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংক এখন অর্থনীতির চাহিদা অনুযায়ী ঋণের জোগান দিতে পারছে না।এ সংকট কাটাতে আমানত বাড়াতে হবে।দুর্নীতি রোধ করতে হবে।ঋণ আদায় করতে হবে।বিদেশে যে অর্থ পাচার হয়েছে,তার সঠিক হিসাব বের করে ফেরত আনার উদ্যোগ নিতে হবে।এরফলে দেশে ডলার সংকট কিছুটা হলেও কাটবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া যে খেলাপিদের ধরা অসম্ভব। দেশে যারা ঋণখেলাপি বা জাল-জালিয়াতি করে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ করেছে,তারা সবাই কোনো না কোনোভাবে সরকারের ছত্রচ্ছায়াতেই থাকে।এসব ঋণখেলাপিরা অত্যন্ত প্রভাবশালী।কাজেই সরকার থেকে বার্তা না পেলে ব্যাংকের পক্ষে তাদের কিছুই করতে পারবে না।এসব বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে সরকার ব্যাংক খাতকে স্থিতিশীল অবস্থায় অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কার্যকরী উদ্যোগী নিবে এটাই সকলের কাম্য।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

You cannot copy content of this page