সাইফুল ইসলাম বাবু জৈন্তাপুর উপজেলা প্রতিনিধি
জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে গত অক্টোবর মাসে ৪০ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার চোরাইপন্য ও মাদক উদ্ধার করেছে পুলিশ।গত অক্টোবরে এই উদ্ধারের ঘটনায় ১৮টি মামলা দায়ের সহ ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম পিপিএম এর সংবাদ প্রতিদিন প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, পুরো মাস জুরে চোরাইপন্য ও মাদকের বিরুদ্ধে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মডেল থানার পুলিশ অভিযান পরিচালিত করে।আটককৃত চোরাই পন্যের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় চিনি ৬৫১৭ কেজি, চা পাতা ১৭০০ কেজি, ভারতীয় গরু ১৯টি, মহিষ ০৬টি। এছাড়াও মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ২৩০ বোতল বিদেশি মদ।আটককৃত অন্যান্য পন্যের মধ্যে আরো রয়েছে, ১৩ লক্ষ ২২ হাজার টাকা মূল্যের কসমেটিকস ও ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা মূল্যের স্পোর্টস বুট। সকল আটককৃত চোরাইমাল ও মাদকের টাকার অংক হিসেবে ৪০ লক্ষ ২৫ হাজার ৮৭০ টাকা।তিনি আরো জানান, চোরাইপন্য উদ্ধারের ঘটনায় মোট ১৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ১১টি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪ টি মামলা। সেইসাথে পরিত্যক্ত উদ্ধারে সাধারণ ডায়েরী হয়েছে ৩ টি।মামলায় এজহার নামীয় আসামি ৩৫ জন ও অজ্ঞাত হিসেবে রয়েছে ৪ জন। এর মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ৭ জনকে।জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম পিপিএম গেলো অক্টোবর মাসের অভিযানের বিষয়ে আরো বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও সঠিক তথ্য অনুসন্ধান করে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ অফিসারদের ও তাদের সাথে থাকা সঙ্গীয় পুলিশ সদস্য টিম নিয়ে অভিযান গুলো বিভিন্ন সময়ে পরিচালিত হয়েছে। অক্টোবর মাসে শারদীয় দূর্গা পূজা ও মাসের শেষের দিকে হরতাল অবরোধে মডেল থানা পুলিশ সর্তকতার সহীত মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিততের পাশাপাশি কাজ করে গিয়েছে।তিনি বলেন, সিলেট জেলা পুলিশের মান্যবর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে এই চোরাইপন্য মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার। সেই সাথে সহকারী পুলিশ সুপার (কানাইঘাট সার্কেল) অলক শর্মা মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সহ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালিত করতে টহল আরো জোরদার করা হয়েছে।সেই সাথে আগামী দিনগুলোতে একটি নিরাপদ জৈন্তার জনপদ তৈরীতে পুলিশকে সার্বিক সহোযোগিতা করার জন্য উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ, পেশাজীবি, শ্রমজীবী জনপ্রতিনিধি সহ সকলের সহোযোগিতা কামনা করেছেন।
মন্তব্য