মোঃ দিদারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম >>> চট্টগ্রামে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৭৬ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, মদ, বিয়ার ও ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (৩১ আগস্ট) চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়।চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, অভিযানে নিয়মিত মামলায় ৯৪ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ১৮ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তিনজন, পরোয়ানামূলে ৭০ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এ ছাড়া মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১৮১ জনকে। তাদের মধ্যে ৪৬ জন মাদক ব্যবসায়ী, ১০ জন মাদক বহনকারী এবং ১২৫ জন মাদকসেবী রয়েছে।মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৪৫ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ৪১ হাজার ১৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৮০ কেজি ৯৫৭ গ্রাম গাঁজা, ৩৫ লিটার ২৫০ মিলিলিটার মদ, ২০ ক্যান বিয়ার এবং ১০০ পিস ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট।ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, জনস্বার্থে মাদকবিরোধী এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।এদিকে চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৪৪৫ পিস ইয়াবা এবং দেশীয় অস্ত্রসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার আকবর হাট এলাকার একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোস্টগার্ড স্টেশন সন্দ্বীপ, আউটপোস্ট সারিকাইত এবং স্থানীয় থানা-পুলিশের একটি যৌথ দল আকবর হাট এলাকার একটি সন্দেহভাজন বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে।তল্লাশিকালে বাড়িটি থেকে প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৪৪৫ পিস ইয়াবা, দুটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র, এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ, এক রাউন্ড রাবার বুলেট, একটি রকেট সিগন্যাল এবং একটি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ার উদ্ধার করা হয়।কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কোস্টগার্ডের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


মন্তব্য