আনোয়ার হোসেন,কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধি >>> প্রায় মাস দুয়েক আগে গ্রাম বাংলার প্রকৃতি থেকে বিদায় নিয়েছে শীত। ঋতুপালা বদলে বিদায়ের সুর বাজছেঋতুরাজ বসন্তেরও।এরই মাঝে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চৈত্রের ভোরের প্রকৃতিতে আচমকা দেখা মিলেছে পৌষ-মাঘের ঘন কুয়াশার দাপট। এ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে ফসলি মাঠ-ঘাট, প্রান্তর।আর চৈত্র মাসের এমন অনাকাঙ্খিত ভোরের ধোঁয়া-ধোঁয়া কুয়াশার মাখামাখিতে এক অন্য রকম প্রাকৃতিক পরিবেশ বিরাজ করায় বিস্মিতও স্থানীয়রা।দেখা যায়, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে উপজেলার প্রকৃতি জুড়ে দিনে খাঁ-খাঁ রোদ ও ভ্যাপসা পচা গরম। মাঝ রাত থেকে ভোর পর্যন্ত পুরো শরীর জুড়ে তুলে শীতের শিহরণ। এতে অনেক সময় গায়ে চাপাতে হয় হালকা কাঁথা- কম্বল। বুধবার চৈত্রের(১৯ তারিখ) বৈরি আবহাওয়ায় ভোরের প্রকৃতি জুড়ে আচমকা দেখা মিলে ঘন কুয়াশার দাপট। পৌষ-মাঘের শীতের কুয়াশাকে হার মানিয়ে সামান্য দূরের জিনিসও দৃষ্টিগোচর দায় হয়ে পড়ে।ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত চলে এমন ঘন কুয়াশার দাপট। এসময় সড়কে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করে ধীর গতিতে। ৯ টার পর সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়লে কুয়াশা কেটে গিয়ে দেখা মেলে ঝলমল সূর্যের আলো। কথা হয় বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি পশ্চিম পাড়া গ্রামের কুয়াশা মাখা ভোরের মুসল্লি মাওলানা আব্দুল হান্নান ও প্রবীণ ব্যাক্তি জরিয়ালের সাথে। তারা বলেন,অসময়ে এ ধরনের কুয়াশা আগে আমরা দেখিনি। চৈত্র মাসের অনাকাঙ্খিত কুয়াশা ঋতুর গরমিল মনে হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হারিয়ে যাচ্ছে ষড়ঋতুর নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য রূপ। তবে ঘন কুয়াশা পড়লেও শীতের তীব্রতা তেমন নেই।উপজেলায় কোন আবহাওয়া অফিস না থাকায় অসময়ে ঘন কুয়াশার কারণসহ জানা সম্ভব হয়নি আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি।
মন্তব্য