নিজস্ব প্রতিবেদক >>> চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলার সীমান্তবর্তী চরতী এলাকায় অনুমোদনহীন, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস ক্রস ফিলিংয়ের কারখানায় গুদামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ শ্রমিক মোহাম্মদ ছালে (৩০) মারা গেছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই দুর্ঘটনায় মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর)সকাল ১০ টার সময় ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নতুন করে একজনের মৃত্যু হয়।মৃত মো. হারেছ প্রকাশ হারুন (৩০)। তিনি চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের ছৈয়দাবাদ পর্দার ডেবা গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র।তার মৃত্যুর বিষয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নিশ্চিত করেছেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও গাউছিয়া কমিটির চন্দনাইশ মানবিক টিমের প্রধান মাওলানা মোঃ সোলাইমান ফারুকী।উল্লেখ্য,সম্প্রতি চন্দনাইশের বৈলতলী ইউনিয়নের দক্ষিণ বৈলতলী ভুইয়া বাড়ি এলাকায় মৃত কবির আহমদের পুত্র মাহাবুবুল আলমসহ ১টি সিন্ডিকেট প্রায় ১ বছর পূর্ব থেকে সাতকানিয়ার চরতী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড দ্বীপ চরতী সর্বির চর নামক নির্জন এলাকায় গ্যাস ক্রসফিলিং কারখানা গড়ে তুলেন। একটি বড় সেমিপাখা গুদাম ঘরে, তারা গ্যাসের সরকারি বড় বোতল থেকে ছোট বোতলে গ্যাস ক্রসফিলিং করে বাজারজাত করে আসছিলেন চক্রটি। গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চন্দনাইশ-সাতকানিয়ার মাঝামাঝি এলাকার দ্বীপ চরতী সর্বিরচর এলাকায় অবৈধ গ্যাস ক্রসফিলিং গুদামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় গুদামে অবস্থানকারী ১০ জন দগ্ধ হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে প্রথমে ৪ জনকে ঢাকার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে দগ্ধ অপর ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরও ঢাকার বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ পর্যন্ত গুদাম মালিকসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।











মন্তব্য