মোঃ সোহেল রানা,বান্দরবান প্রতিনিধি >>> বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে টাস্কফোর্সের অভিযানে ১৬৬ ঘনফুট অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়েছে। এ সময় পাঁচটি স’মিল মালিককে মোট ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত কাঠের বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা বলে জানা গেছে।বুধবার (২ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার কেজি স্কুল সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নাইক্ষ্যংছড়ির সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান ইতু এবং ১১ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন।অভিযানে অংশ নেন ১১ বিজিবি, নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশ, বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও নাইক্ষ্যংছড়ি বনবিটের কর্মকর্তারা। টাস্কফোর্সের এই যৌথ অভিযানে একাধিক স’মিল থেকে ১৬৬ ঘনফুট অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা।এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস. কে. এম. কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, “সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন ও বনসম্পদ সংরক্ষণে বিজিবি নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন । এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভবিষ্যতেও বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে অবহিত করেন তিনি ।সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান ইতু বলেন, “বন আইন অনুযায়ী কাঠ রাখার বৈধ লাইসেন্স না থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ প্রক্রিয়ায় বন বিভাগে হস্তান্তর করা হচ্ছে।”নাইক্ষ্যংছড়ি বনবিট কর্মকর্তা জানান, “জব্দকৃত কাঠগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মিলগুলোর আড়ালে মজুদ করে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে পরিবেশ ও বন আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।”উল্লেখ্য, বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়া সেগুন কাঠ সংরক্ষণ ও পরিবহন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অভিযান শেষে জব্দকৃত সমস্ত কাঠ বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে।











মন্তব্য