মোঃ এনামুল হক,নড়াইল জেলা >>> ২০ জানুয়ারি ২৬ইং সাল রোজ মঙ্গলবার আনুমানিক বেলা ১১টার সময় মৃতদেহ উদ্ধার করে গ্রামপুলিশ ও মেম্বার সহ এলাকার লোকজন।নড়াইল জেলা লোহাগড়া উপজেলার ১০নং কোটাকোল ইউনিয়নের মাইগ্রাম গ্রামে বাড়ি মোসাঃ সনিয়া বেগম,পিতা-মোঃ সাহিদুল শেখ তার মেয়েকে বিবাহ দেয় আনুষ্ঠানিকভাবে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার ফলশি নিজামকান্দি গ্রামের মোঃ কাদের মোল্যার ছেলে মোঃ সজিব মোল্যার সাথে।বিবাহিত দিন খুবই ভালো কেটেছে কয়েকমাস,তবে সনিয়ার স্বামী সজিব মোল্যা যৌতুকের জন্য তাকে বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করে।একই সাথে সজিব মোল্যার পিতা কাদের মোল্যা ও তার স্ত্রী পারিবারিক চাপ দিতে থাকে।৫লক্ষ টাকা মেয়ের বাড়ির থেকে আনতে বলে এবং ঘরের আসবাবপত্র আনতে বলে,সনিয়া এসব কথা বাড়িতে জানায় কিন্তু সনিয়ার পিতা একজন সাধারন কৃষক কিভাবে যৌতুকের টাকা দিবে এবং বিবাহের সময় টাকার কোন কথা হইনি এখন কেনো টাকার দাবি করে।আমি সাধারন কৃষি কাজ করে খাই।এদিকে জানা যায় সনিয়া ২মাসের গর্ভবতী বলে জানা যায়।এলাকা সূত্রে জানা যায় মাঝেমধ্যে সজিব মোল্যার বাড়িতে ঝামেলার সৃষ্টি হতো।মেয়েটিকে অত্যাচার করতো,এসব দেখে ও আমরা কিছু বলতে পারতাম না তবে হঠাৎ কি কারনে কিভাবে এই মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটলো।সকালে ঘটনাটি ঘটাইয়া সজিব মোল্যা সহ তার পিতা মাতা মিলে মেয়েটিকে হত্যা করে।মেয়েটির হাতে ব্লেড দিয়ে কেটে রক্তাক্ত করে,এবং লোহার রড দিয়ে শরীলের বিভিন্ন জায়গাতে আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায়।সজিবের বিষয় জানা যায় যে সজিব মোল্যা নেশাকারী,মাদককারবারী,অস্ত্র ব্যবসায়ী,নারী পাচারকারী সহ বিভিন্ন অনৈতিক ও অসামাজিক কাজে লিপ্ত ছিলো।এবিষয় সনিয়ার হত্যার ঘটনা জানতে পেরে পিতা সাহিদুল শেখ ও এলাকার লোকজন নিয়ে গোপালগঞ্জের ফলশি গ্রামে যায়।ফলশি নিজামকান্দি গ্রামে গেলে সত্য ঘটনা জানতে পারে। সজিব তার স্ত্রী সনিয়াকে হত্যা করে পলাতক রয়েছে সজিব সহ পিতা মাতা,তবে এই ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে আরও অনেকে।তদন্ত করার জন্য প্রশাসন তৎপরতা রয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর লাশের পোস্টমর্টেম সম্পূর্ণ করবে বলে জানা যায়।এবিষয় গোপালগঞ্জ সদর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)অভিযোগ পেয়েছে,অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের জন্য টিম গঠন করবে এবং হত্যাকান্ডের সাথে যে সকল লোক জড়িত আছে তাদেরকে আইনের আওয়তাধীন এনে বিচার করবে বলে জানিয়েছেন।











মন্তব্য