২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত মাওলানা মুহাম্মদ সেলিম আহমদ ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের বন্দীদের মাঝে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ চাটখিলে ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় গ্রাহকদের মানববন্ধন: স্মারকলিপি হস্তান্তর চাটখিলে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাস-এ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত কয়েকজন নবাবগঞ্জে কালবৈশাখীর আঘাত,গাছ, ফসল ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি রপ্তানি কার্গো নিরাপত্তা সক্ষমতায় বড় অগ্রগতি: ঢাকায় EDD পুনর্বহাল, সিলেটে দ্বিতীয় EDS চালু সুনামগঞ্জে চাহিদার চেয়ে বেশি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত, উদ্বৃত্ত ৩ হাজার বিশ্বাসের জায়গাগুলো কতটা নিরাপদ শিশুদের জন্য কক্সবাজার আদালত চত্বরে গোলাগুলি গুলিবিদ্ধ ৫
আন্তর্জাতিক:
লেবাননে ইসরাইলি হামলা ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নিহত ৫ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে লড়াইয়ে ৪ শীর্ষ প্রার্থী মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিপাকে ভারতের বিমান খাত: জ্বালানির আকাশচুম্বী দামে বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার করা হয়েছে নজরদারি লাহোর থেকে যাতি উমরা স্মৃতির অলিন্দে পাঞ্জাবের আতিথ্য তুরস্কের কাছে ১০০ কোটি ডলার ও সুন্দরী স্ত্রী চাইলেন উগান্ডার সেনাপ্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে কোনো সীমাবদ্ধতা মানবে না ইরান।। ইসরায়েলি ও মার্কিন বিমান হামলায় আহত ইরানি নেতা কামাল খারাজির মৃত্যু নিখোঁজ পাইলট উদ্ধারের আড়ালে ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টা ছিল বলে অভিযোগ ইরানের ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম ৪৮ ঘণ্টায় হরমুজ না খুললে নামবে নরক
     
             

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তের ২০ শতাংশই শিশু হটস্পট নগরীর ৫ এলাকা, বিভিন্ন উপজেলায়ও আক্রান্তের হার বাড়ছে

  বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

জাহেদুল কবির নিজস্ব প্রতিবেদক>>> চট্টগ্রাম বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ।গত জুলাই–আগস্ট থেকে মূলত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।তবে সেপ্টেম্বরে এসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার আগের ৮ মাসকে ছাড়িয়ে যায়।সেপ্টেম্বরে ৯০৭ জন আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যু হয় ১১ জনের।চলতি অক্টোবরেও আক্রান্তের এই হার অব্যাহত রয়েছে।তবে এ মাসে এখন পর্যন্ত কারো মৃত্যু হয়নি।সব মিলিয়ে চলতি বছরের গতকাল পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৬০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের।আক্রান্তের মধ্যে ৯৭১ জন পুরুষ, ৪৭২ জন নারী এবং ৩১৭ জন শিশু রয়েছে।মোট আক্রান্তের হিসেবে প্রায় ২০ শতাংশই শিশু।অন্যদিকে ১৬ জন মৃত্যুর মধ্যে ১০ জনই নারী।এছাড়া ৪ জন পুরুষ ও ২ শিশু আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।অপরদিকে এবার আক্রান্তের হার বেড়েছে বিভিন্ন উপজেলায়ও।গতকাল পর্যন্ত চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছে ৬৮৩ জন।এরমধ্যে লোহাগাড়ায় সর্বোচ্চ ১৭৬ জন।অপরদিকে গত সেপ্টেম্বরে আক্রান্তের দিক থেকে চট্টগ্রাম নগরীর ২০টি এলাকার উপর জরিপ চালানো হয়েছে।সেই জরিপে দেখা গেছে–বাকলিয়া,কোতোয়ালী, বায়েজিদ,পাহাড়তলী এবং খুলশী এলাকায় সিংহভাগ আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়।অর্থাৎ এই ৫ এলাকা ছিল ডেঙ্গুর হটস্পট।সংশ্লিষ্টরা বলছেন,এডিস মশার বংশ বিস্তার থামানো গেলে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এমনিতেই কমে যাবে।বিশেষ করে আমাদের চারপাশে যেসব জায়গায় এডিস মশা জন্মায় সেসব জায়গায় যাতে এডিস মশা জন্মাতে না পারে সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।পরিষ্কার ও বদ্ধ পানি এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র।তাই বসতবাড়ির আশপাশে ডাবের খোসা,ফুলের টব,ছাদবাগান ও ফ্রিজের নিচের ট্রেতে তিন দিনের বেশি পানি যাতে জমে না থাকে,সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।বাসাবাড়ি,ছাদ আঙিনা নিজ নিজ উদ্যোগে পরিষ্কার রাখতে হবে।এটি সবার দায়িত্ব।গতকাল চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে,গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৭০ জন আক্রান্ত হয়েছে।এরমধ্যে ৪৯ জন পুরুষ, ১২ নারী ও ৯ শিশু আক্রান্ত হয়েছে।এছাড়া গত জানুয়ারিতে আক্রান্ত হয় ৬৯ জন,ফেব্রুয়ারিতে ২৫ জন,মার্চে ২৮ জন, এপ্রিলে ১৮ জন,মে মাসে ১৭ জন,জুনে ৪১ জন এবং জুলাইয়ে ১৯৮ জন,আগস্টে ২০২ জন,সেপ্টেম্বরে ৯০৭ জন এবং অক্টোবরে গতকাল পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ২৫৫ জন। এছাড়া জানুয়ারিতে মারা গেছে ২ জন,মার্চে ১ জন,জুলাইয়ে ১ জন,আগস্টে ১ জন এবং সেপ্টেম্বরে ১১ জন।বিশেষজ্ঞরা বলছেন,ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই।অনেক রোগী ডেঙ্গু পরীক্ষার (এনএসওয়ান) রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার সাথে সাথে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে যাচ্ছে।ডেঙ্গু নিয়ে অনেকের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে।মনে রাখতে হবে,রক্তের প্ল্যাটিলেটের পরিমাণ কেবল ১০ হাজারের নিচে নেমে গেলে তখন রোগীর শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ শুরু হয়।সেই সময় জরুরি চিকিৎসা কিংবা নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন পড়ে। অন্যদিকে প্ল্যাটিলেট কমা শুরু হয় জ্বর কমে যাওয়ার পর পর।আবার সাধারণ মানুষের মধ্যে প্ল্যাটিলেট নিয়ে আতঙ্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছে,আসলে প্ল্যাটিলেট যখন বাড়া শুরু হয় তখন দ্রুতই বাড়ে।প্ল্যাটিলেট কমা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।তবে একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে নিয়মিত ফলোআপ করতে হবে।জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন,ডেঙ্গুর প্রস্তুতি হিসেবে আমরা হাসপাতালে ৫৪ শয্যার বিশেষায়িত ওয়ার্ড চালু করেছি।এছাড়া রোগীর চাপ যদি আরো বাড়ে,সেক্ষেত্রে আমরা আমাদের তিনটি মেডিসিন ওয়ার্ডে ডেঙ্গু কর্নারের ব্যবস্থা রেখেছি।তবে আমরা আশা করছি,বৃষ্টির পরিমাণ কমলে এই অক্টোবরের শেষের দিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমবে।উল্লেখ্য,গত বছর নগর ও বিভিন্ন উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি–বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ভর্তি হয়েছিল ১৪ হাজার ৮৭ জন।এরমধ্যে মারা যায় ১০৭ জন।এছাড়া ২০২২ সালে মোট আক্রান্ত ৫ হাজার ৪৪৫ জনের মধ্যে মারা যায় ৪১ জনের, ২০২১ সালে আক্রান্ত হয় ২৭১ জন এবং মারা যায় ৫ রোগী।

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন

বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ইমাম নির্বাচিত মাওলানা মুহাম্মদ সেলিম আহমদ
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের বন্দীদের মাঝে ঈদুল আযহা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ
চাটখিলে ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় গ্রাহকদের মানববন্ধন: স্মারকলিপি হস্তান্তর
চাটখিলে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাস-এ্যাম্বুলেন্স সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত কয়েকজন
নবাবগঞ্জে কালবৈশাখীর আঘাত,গাছ, ফসল ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি
রপ্তানি কার্গো নিরাপত্তা সক্ষমতায় বড় অগ্রগতি: ঢাকায় EDD পুনর্বহাল, সিলেটে দ্বিতীয় EDS চালু
সুনামগঞ্জে চাহিদার চেয়ে বেশি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত, উদ্বৃত্ত ৩ হাজার

You cannot copy content of this page