আনোয়ার হোসেন,কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি >>> নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে জ্যৈষ্ঠের টানা কয়েক দিনের প্রখর রোদ আর তিব্র ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। এ উপজেলার প্রকৃতি যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। আগুনের ফুলকি ঝরা আবহাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ত্রাহি-ত্রাহি অবস্থা দেখা দিয়েছে। শিশু-বৃদ্ধরা আরোও বেশি নাজেহাল হয়ে পড়েছেন। দর দর করে ঘাম ঝরা গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মাঠে- ময়দানে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ। পাশাপাশি ভ্যান-রিকশা চালকরা গরমে অস্থির হয়ে পড়েছেন। সূর্য দহনে শরীরের চামড়া পুড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। রাতের গুমোট করা গরমে নিদ্রাহীন কাটছে। এ অবস্থায় বৃষ্টির জন্য মানুষের মধ্যে যেন হাহাকার পড়ে গেছে। একটু শীতল পরশের জন্য ব্যকুল হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ ও পশু-পাখি। এই অসহনীয় গরমে একটু শীতলতার পরশ পেতে অনেকে আশ্রয় নিয়েছে গাছের ছায়ায়।কেউবা শরীরে পানি ঢেলে শীতলতার পরশ খুঁজছেন। এদিকে তিব্র গরমে শিশুসহ নানা বয়সী মানুষ জ্বর,কাশি, ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।এ উপজেলায় আবহাওয়া অধিদপ্তর না থাকায় তাপমাত্রার পারদ জানা সম্ভব হয়নি। ভ্যান চালক লায়ন বলেন, প্রখর রোদে পিচ যেন গলে যাচ্ছে। ভ্যাপসা গরমে শরীর থেকে দর দর করে ঘাম ঝড়ছে। এ অবস্থায় ভ্যান চালা কঠিন হয়ে পড়েছে। পেটের দায়ে ভ্যান চালা ছাড়া আর করার কি আছে। শহরে লোকজনের আনাগোনা কমে যাওয়ায় আয়রোজগারও কমে গেছে।কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ইসমাইল যদুমনি গ্রামের কৃষক আফছার আলী বলেন,রোদের তেজের কারণে গরমে ধান- ভূট্টা কাটামাড়াই ও খড় শুকানোর কাজ করতে পারছি না। গত কয়েকদিন যাবৎ প্রচণ্ড গরম পড়েছে। এ অবস্থায় ধান-ভূট্টা কাটামাড়াই করা কঠিন হয়ে পড়েছে।বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি টিকরি পাড়া গ্রামের কৃষক এসলাম উদ্দিন বলেন,গরম সহ্য করতে না পেরে মাথায় পানি ঢেলে শীতলতার পরশ নিচ্ছি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা নীল রতন দেব বলেন,এই গরমে জ্বর, কাশি ও পাতলা পায়খানাসহ বিভিন্ন রোগের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। এসব রোগে আক্রান্ত মানুষকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। রোগবালাই থেকে বাঁচতে মানুষকে নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।











মন্তব্য