৯ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম:
ধর্মীয় মূল্যবোধই পারে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে: শাহজাহান চৌধুরী লোহাগাড়ায় মাটি কাটতে বাধা দেওয়ায় জামায়াত কর্মীর ওপর হামলা, হাসপাতালে ভর্তি নোয়াখালীতে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেবিদ্বারে মৎস্যজীবীদলের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নগরকান্দায় পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, ৩২ জন আটক জলাবদ্ধতা কমাতে চট্টগ্রামে ১৭ স্লুইস গেট প্রস্তুত, বাকি ৪টির কাজ চলছে চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৮ মোটরসাইকেলের শোভাযাত্রা অপরাধ দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি : মন্ত্রী মীর হেলাল যুদ্ধ উত্তেজনার মাঝেও জ্বালানিবাহী ৮ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায়
  • প্রচ্ছদ
  • অন্যান্য
  • কর্নফুলীতে ‘ভাসমান গুদামে’ দুদকের অভিযান
  • কর্নফুলীতে ‘ভাসমান গুদামে’ দুদকের অভিযান

      বাংলাদেশ সংবাদ প্রতিদিন

    মোঃ দিদারুল ইসলাম,চট্টগ্রাম >>> রমজান মাসকে সামনে রেখে বঙ্গোপসাগরে ‘ভাসমান গুদাম’ তৈরি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্য বাড়ানোর অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।সমকালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘সাগরে ভাসছে ৬০০ গুদাম, ছয় আমদানিকারকের জিম্মায় রোজার বাজার’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুদক এ অভিযান পরিচালনা করে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রমজানকে সামনে রেখে ছয় বড় আমদানিকারকসহ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট প্রায় ১০ লাখ টনের বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে অন্তত ৬০০টি লাইটার জাহাজ দেশের নদী ও সাগরে মাসের পর মাস ভাসিয়ে রেখেছে।এসব জাহাজে গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনির মতো খাদ্যপণ্য বহন করা হলেও সেগুলো ঘাটে খালাস না করে জাহাজেই আটকে রাখা হচ্ছে। এতে একদিকে লাইটার জাহাজের সংকট তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অসৎ উদ্দেশ্যে দাম বাড়ানোর অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমদানিকারকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘদিন লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস না করে নদী ও সমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন।অভিযানে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করেন। স্বাভাবিক অবস্থায় একটি লাইটার জাহাজ যেখানে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পরবর্তী ট্রিপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা, সেখানে বর্তমানে অনেক জাহাজ ৩০ থেকে ৪০ দিন ধরে পণ্যবোঝাই অবস্থায় নদী ও সাগরে ভাসছে।এ সময় নৌপরিবহন অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিয়েও অনুসন্ধান চালানো হয়। নৌ বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে স্মারক নম্বর–৭১৩ মূলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর একটি অফিসিয়াল পত্র জারি করেন। এতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ ছাড়া কোনো লোকাল এজেন্ট ও পণ্যের এজেন্টকে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।দুদক জানায়, ওই পত্রের আলোকে বর্তমানে নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে অনাপত্তি সনদ গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে মহাপরিচালক নিশ্চিত করেছেন। এরপরও বন্দর কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা যাচাই করতে ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার (অপারেশন), হারবার মাস্টার ও ডেপুটি কনজারভেটর দপ্তরের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগৃহীত সব তথ্য বিশ্লেষণ শেষে এনফোর্সমেন্ট টিম দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিশনের কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।

    মন্তব্য

    আরও পড়ুন

    You cannot copy content of this page